অল্প জায়গা ও স্বল্প পুঁজিতে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় মাশরুম চাষবিষয়ক পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই ব্যাচে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে অংশ নেন ৯০ জন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি দুই ব্যাচের সেরা পাঁচজন করে মোট ১০ জনকে মাশরুম চাষের প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়া হয়েছে।
ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট ক্যাম্পাস ইনিশিয়েটিভের আওতায় সদর উপজেলা প্রশাসন এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মাশরুম চাষের আধুনিক ও ব্যবহারিক বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল মাশরুম উৎপাদন ও পরিচর্যা, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ এবং বাজারজাতকরণের কৌশল। একই সঙ্গে অল্প জায়গা ও তুলনামূলক কম খরচে মাশরুম উৎপাদনের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শুধু দক্ষতা বাড়ানো নয়, প্রশিক্ষণার্থীদের বাস্তবমুখী ও আয়মুখী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণার্থীরা নিজেদের স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাশরুম চাষকে একটি আয়মুখী উদ্যোগ হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
সংশ্লিষ্টরা জানান, স্বল্প পুঁজি ও সীমিত জায়গায় মাশরুম চাষ করা সম্ভব হওয়ায় এটি নতুন উদ্যোক্তা তৈরির একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। জলবায়ু সহনশীল এ ধরনের উদ্যোগ সম্প্রসারণ করা গেলে বেকারত্ব কমানোর পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

