নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করার অভিযোগে স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গুরুতর আহত অবস্থায় তার স্বামীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে নাসিক ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সানারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও অভিযুক্ত নারীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তাদের মৌখিকভাবে বিচ্ছেদ হয়। তবে বিচ্ছেদের পরও ওই ব্যক্তি নিয়মিত তার সাবেক স্ত্রীর বাসায় যাতায়াত করতেন। এর মধ্যে প্রায় তিন মাস আগে তিনি অন্য এক নারীকে বিয়ে করেন। এরপরও বিষয়টি মেনে নিয়ে তাকে বাসায় আসার সুযোগ দিতেন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত নারী।
অভিযুক্ত স্ত্রীর অভিযোগ, বিচ্ছেদের পর তার স্বামী কোনো ধরনের ভরণপোষণ দিতেন না। বরং বেতন পাওয়ার পর বিভিন্ন সময় টাকা নেওয়ার জন্য তার বাসায় আসতেন। এ সময় তিনি প্রায়ই জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করতেন বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতেও ওই ব্যক্তি বাসায় গিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ ও ধস্তাধস্তির সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত নারীর হাতে স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে যায় বলে তার দাবি।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং অভিযুক্ত নারীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আল মামুন বলেন, অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা যাচাই করা হচ্ছে।

