নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে আবারও রাজপথকেন্দ্রিক তৎপরতা বাড়িয়েছে মহানগর বিএনপি। দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি, মিছিল, সভা-সমাবেশ ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা যাচ্ছে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে। সাম্প্রতিক কয়েকটি কর্মসূচিতে তাঁর সরব উপস্থিতি মহানগর বিএনপির মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যেও নতুন করে সক্রিয়তা তৈরি করেছে বলে দলটির নেতাকর্মীদের একাংশ মনে করছেন।
সেপ্টেম্বরের শুরুতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির বর্ণাঢ্য র্যালিতে আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এরপর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল ও রাজনৈতিক তৎপরতার প্রতিবাদেও মহানগর বিএনপির কর্মসূচিতে টিপুর নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের মাঠে নামতে দেখা যায়। ১২ ও ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে আওয়ামী লীগের মিছিলের প্রতিবাদে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনসম্পৃক্ত বিষয়েও টিপুকে বক্তব্য দিতে দেখা যাচ্ছে। গত জুলাইয়ে মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এর আগে জুনে নারায়ণগঞ্জকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেন এবং ভবিষ্যতে নির্বাচন ছাড়া সংগঠনের কমিটি গঠন না করার বিষয়ে তাঁর অবস্থান তুলে ধরেন।
সব মিলিয়ে, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাম্প্রতিক রাজপথের কর্মসূচিতে টিপুর উপস্থিতি ও নেতৃত্ব দৃশ্যমান। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালি থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বিক্ষোভ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁর নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ মহানগর বিএনপির মাঠপর্যায়ের তৎপরতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। তবে এই সক্রিয়তা সাংগঠনিকভাবে কতটা স্থায়ী রূপ নেয় এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে এর কী প্রভাব পড়ে, সেটিই এখন নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয়।
বিভিন্ন সভা-সমাবেশে টিপু বলেন, আওয়ামী লীগের সাবেক সরকারের পতনের পরও তাদের সহযোগীরা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাদের কোনোভাবেই দেশের মাটিতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না। গত ৫ আগস্ট পতিত আওয়ামী সরকার ছাত্র-জনতার তোপের মুখে দেশ ছেড়ে পালালেও তার দোসররা দেশে এখনো বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করছে। আমরা রাজপথে মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের সক্রিয় আছি ।

