বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নারায়ণগঞ্জ জেলা ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে ভোটের হিসাবে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও করোনা মহামারিতে আলোচিত মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি পেয়েছেন সর্বোচ্চ ২৯৯ ভোট। এমনকি সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুর চেয়েও ১১৫ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।
নির্বাচনের আগে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন খোরশেদ। তবে পরবর্তীতে ওই পদে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে সমর্থন দিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। পরে সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ নেন। ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, সাধারণ সম্পাদক পদে টিপু ১৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হলেও সদস্য পদে খোরশেদ পেয়েছেন ২৯৯ ভোট।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
সদস্য পদে পাঁচটি আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন একাধিক প্রার্থী। নির্বাচনে খোরশেদের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন। তিনি পেয়েছেন ২৮১ ভোট। অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির ২৭৫ ভোট, রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী ২৬৩ ভোট এবং ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন ২১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে, সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এনসিপি নেতা নিরব রায়হান পেয়েছেন ১১০ ভোট, হারুনুর রশীদ খান ৯১ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল হক পেয়েছেন ৮৭ ভোট।
সদস্য পদে মোট ১ হাজার ৬৭৯টি ভোট পড়েছে। এর মধ্যে ৫৫টি ভোট বাতিল হয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক পদ ছেড়ে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ায় এবারের নির্বাচনে খোরশেদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও ভোটারদের সমর্থন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

