বিশ্বজুড়ে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব বাবা দিবস (Father’s Day)। প্রতি বছরের জুন মাসের তৃতীয় রোববার বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে দিবসটি পালন করা হয়। পরিবার, সমাজ ও সন্তানের জীবনে বাবার অবদান স্মরণ করতেই এ বিশেষ দিনের আয়োজন।
একজন বাবা শুধু পরিবারের উপার্জনকারী নন, তিনি সন্তানের প্রথম শিক্ষক, পথপ্রদর্শক ও সাহসের প্রতীক। সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে একজন বাবা নীরবে ত্যাগ স্বীকার করেন, সংগ্রাম করেন এবং জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সন্তানের পাশে থাকেন। অনেক সময় নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সন্তানের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যান নিরলসভাবে।
আধুনিক সমাজে পরিবারের কাঠামো ও জীবনযাত্রায় নানা পরিবর্তন এলেও বাবার ভূমিকার গুরুত্ব একটুও কমেনি। সন্তানের শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব গঠনে বাবার অবদান অপরিসীম। একজন দায়িত্বশীল বাবা শুধু পরিবারকে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাই দেন না, বরং সন্তানকে মানবিক ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
বাবা দিবস উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ, শুভেচ্ছা বার্তা ও ছবি শেয়ার করছেন অসংখ্য মানুষ। অনেকে বাবার সঙ্গে সময় কাটিয়ে কিংবা উপহার দিয়ে এ দিনটিকে স্মরণীয় করে তুলছেন।
বাংলাদেশেও দিবসটি ঘিরে রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক আয়োজনে বাবাদের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বাবার প্রতি সম্মান ও যত্ন শুধু একটি দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছর ধরে অব্যাহত রাখা উচিত।
বাবা দিবসে সকল বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনেকেই বলছেন, “বাবা এমন একজন মানুষ, যার ছায়া মাথার ওপর থাকলে জীবনযুদ্ধ অনেক সহজ মনে হয়।”

