ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পারিবারিক বিরোধের জেরে মালেক (২৭) নামের এক যুবকের হামলায় নারী ও শিশুসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। সোমবার (১৮ মে) বিকেলে ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মালেকের ভাবি, দুই ভাতিজি মিম (৫) ও লামিয়া (৮), এছাড়া তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে আসা দুই ভাড়াটিয়াও হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মালেকের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনি ঘরে থাকা ধারালো বটি হাতে নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ভাবির ওপর হামলা চালান। এসময় দুই শিশু ভাতিজি বাধা দিতে গেলে তাদেরও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়।
চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে পাশের বাসার কয়েকজন ভাড়াটিয়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু তখন মালেক তাদের ওপরও হামলা চালান। এতে আরও দুইজন আহত হন।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় জনতা একত্রিত হয়ে মালেককে আটক করেন। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুব আলম জানান, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধের জেরে সংঘটিত হামলার ঘটনা বলে জানা গেছে। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

