ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন নারায়ণগঞ্জের ফতুলার সাইনবোর্ড শান্তিধারা আবাসিক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বিহীন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন করে আসছে ফুড ল্যান্ড বেকারি।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হারুনুর রশিদ দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আবাসিক এলাকায় ফুড ল্যন্ড বেকারি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন করে আসায় চুলার তাপ, কারখানায় তৈরি কাঁচামালের অতিরিক্ত বর্জ্যের পঁচা দূর্গন্ধে একদিকে পরিবেশের দূষন অপরদিকে ধূলো বালি মিশানো উৎপাদিত খাদ্য খেয়ে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে এলাকাবাসীর। ইতিপূর্বে কয়েকবার মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ও খাদ্যে তেলাপোকা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানাও হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানের। এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে গত ১৩ জানুয়ারি এই প্রতিষ্ঠান আবাসিক এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া সহ বন্ধের দাবি জানিয়ে অভিযোগ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরে।
ভোক্তাভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের সরজমিনে ফুড ল্যান্ড বেকারিতে গেলে প্রথমে গেইট বন্ধ করে দিয়ে ভেতর থেকে পচাঁ, মশা মাছি থাকা খাদ্য সামগ্রী সরানো ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে কারখানায় থাকা শ্রমিকেরা। কতৃপক্ষের সাথে কথা বলতে চাইলে নানা বাহানায় আপ্যায়ন করার চেষ্টা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং বেকারির ভেতরের যাওয়া নিষেধ বলে সময় ক্ষেপণ করে কর্তৃপক্ষ।
পরিবেশ দূষনের অভিযোগের বিষয়ে প্রতিকার সম্পর্কে জানতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের গেলে উপ পরিচালক এ এইচ এম রাশেদ অনুপস্থিত থাকায় মুঠোফোনে জানায় পরিদর্শক হুজ্জাতুল ইসলামের নিকট অভিযোগটি রয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরক্ষণে পরিদর্শক হুজ্জাতুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, কারখানা পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। ১৮ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বিহীন কিভাবে খাদ্য উৎপাদন করছে শোকজ নোটিশ প্রদান করলে তারও সঠিক জবাব না পাওয়ায় বেকারির সংযোগ বিচ্ছিন্নের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা বরাবর তদন্ত রিপোর্ট প্রেরণ করেছি।
সকল অভিযোগের বিষয়ে ফুড ল্যান্ড বেকারি কতৃপক্ষের সাথে কথা বলতে চাইলে নানা তালবাহানা করে মুঠোফোনে দেখা করা কথা বলে মুঠোফোন বন্ধ করে দিয়ে।

