ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জে জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়া এবং প্রতিটি আসনেই বিএনপি’র হেভিওয়েট নেতারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন এ সকল প্রার্থীদের যে কোন সময় ডাকা হবে গুলশান বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে।প্রয়োজন হলে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের সাথে কথা বলবেন।
নারায়ণগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ নারায়ণগঞ্জ-২ ৩ ও ৪ আসনে বিদ্রোহী হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছে যাদের থামাতে না পারলে বিএনপির মনোনিত প্রার্থীদের জয় লাভ করাটা কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। কারন যারা বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে তারা সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন সেই আসন গুলোতে যার কারনে তাদের একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে ওই সব আসন গুলোতে।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিএনপরি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ তার বিপরীতে বিএনপির টানা তিনবারের সাংসদ আতাউর রহমান আঙ্গুর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এদিকে নজরুল ইসলাম আজাদ বিএনপির টিকিটে ২০১৮সালে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। সেই নির্বাচনে তার বিপুল ভোটে পরাজয় ঘটে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে আজাদের পরাজয় নিশ্চিত করতে বিএনপির টানা তিনবারের সাংসদ এবং মনোনয়ন বঞ্চিত আঙ্গুর ভোটের মাঠে ব্যাপক জনপ্রিয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আজাদের জয় ছিনিয়ে নিতে নির্বাচনী মাঠে থাকছেন।
অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ-৩ বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন উক্ত আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপির টানা তিনবারের সাবেক সাংসদ রেজাউল করিম ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন। একই সাথে উক্ত আসনের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জাদরেল বিএনপি নেতা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন। তবে এই দুই সাবেক সাংসদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সমঝোতার মাধ্যমে একক প্রার্থী হয়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের সাথে ভোটের লড়বেন।
যার ফলে এই দুই জনপ্রিয় নেতার ভোটের জোয়ারে ভেসে যেতে পারেন বিএনপির প্রার্থী মান্নান।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির জোটের প্রার্থী জমিয়াতে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাশেমীর বিপরীতে রয়েছেন বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম, মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। এরমধ্যে গিয়াসউদ্দিন উক্ত আসনের সাবেক সাংসদ এবং বিএনপির জাদরেল নেতা হিসেবে নির্বাচনী আসনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।
অপরদিকে উক্ত আসনের বিএনপির সাবেক সাংসদ এবং মনোনয়ন বঞ্চিত মোহাম্মদ আলী রিপাবলিকান পার্টি থেকে আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন। এই তিন হেভীওয়েট প্রার্থীর ভোটের প্রভাবে বিএনপির জোটের প্রার্থী কাশেমীর নিশ্চিত পরাজয় ঘটতে পারে। কারণ উক্ত আসনে এই তিন নেতার মধ্যেই ভোটের লড়াই চলমান থাকবে। তাদের ভোটের ভাগাভাগিতে বিএনপির জোটের প্রার্থীর জয়ের ফলাফল দেখা দিতে পারে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অন্যান্য বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিতদের দিকে।
সারা দেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জের আসন গুলো বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাথে গুলশান বিএনপির কার্যালয়ে বসবেন তারেক রহমান। তরে কতটুকু সমাধান হবে সেটা দেখা এখন সময়ের ব্যাপার।

