ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ যাঁদের আগে থেকেই হাঁপানি বা অ্যাজমা আছে, তাঁদের জন্য গর্ভকালীন সময়টা বেশ উদ্বেগের। দেশে শীত পড়েছে। এ সময় হাঁপানি আছে এমন অন্তঃসত্ত্বাদের সতর্ক থাকতে হবে। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হাঁপানির উপসর্গ বেড়ে যায়। শ্বাসকষ্ট, বুক ধরা, কাশি বা শোঁ শোঁ শব্দের সমস্যা তীব্র হয়। এতে মা ও শিশুর কী ঝুঁকি থাকে এবং কীভাবে এটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, তা জেনে রাখা উচিত।
গর্ভাবস্থায় হাঁপানি কেন বাড়তে পারে
গর্ভাবস্থায় শরীরে নানা হরমোনগত ও শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। হরমোনের পরিবর্তন (বিশেষ করে প্রোজেস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন) শ্বাসনালির সংবেদনশীলতা বাড়াতে পারে। বর্ধিত জরায়ু ফুসফুসের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। নাক বন্ধ থাকা, রিফ্লাক্স (গ্যাস্ট্রিক) ও সংক্রমণ হাঁপানি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
অনেকে গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর মনে করে হাঁপানির ওষুধ বন্ধ করে দেন বা অনিয়মিত ওষুধ খান। এটাও বড় কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভকালে এক-তৃতীয়াংশ নারীর হাঁপানি বাড়ে, এক-তৃতীয়াংশের কমে এবং বাকি এক-তৃতীয়াংশের একই থাকে।
মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকি কী
হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শুধু মায়ের নয়, শিশুরও ক্ষতি হতে পারে। মায়ের ক্ষেত্রে তীব্র শ্বাসকষ্ট, বারবার হাসপাতালে ভর্তি ও প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়ার (গর্ভাবস্থার একটি গুরুতর জটিলতা) ঝুঁকি তৈরি হয়। গর্ভস্থ শিশুর ক্ষেত্রে কম ওজন নিয়ে জন্ম, সময়ের আগেই জন্ম নেওয়া (প্রিম্যাচিউর) ও গর্ভের মধ্যে অক্সিজেনের ঘাটতির মতো সমস্যা হতে পারে।

