পদ্মা রেলসেতুর পিলারের গোড়ায় জমে থাকা অতিরিক্ত মাটি সরানোর মূল কারণ ব্যাখ্যা করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কোনো ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে নয়, বরং সেতুর নিরাপত্তা ও চুরির ঝুঁকি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সেতুমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, “মাটি খুঁড়ে নেওয়া হয়েছে—বিষয়টি মোটেও এমন নয়।” তিনি জানান, সেতু নির্মাণের সময় কাজের সুবিধার্থে এবং কিছু প্রতিবন্ধকতা (ব্যারিয়ার) তৈরির জন্য সাময়িকভাবে ওই মাটি রাখা হয়েছিল। নির্মাণকাজ শেষ হলেও দীর্ঘদিন ধরে সেই বাড়তি মাটি পিলারের গোড়াতেই রয়ে যায়।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন মাটি জমে থাকায় ওই অংশটি কিছুটা উঁচু হয়ে গিয়েছিল। আর এই সুযোগ নিয়ে কিছু দুষ্কৃতকারী মই ব্যবহার করে সেতুর ওপর থেকে বিভিন্ন মালামাল চুরি করার চেষ্টা করছিল। সামগ্রিক নিরাপত্তা বিবেচনা করে এবং চুরির এই উপক্রম বন্ধ করতেই কনস্ট্রাকশন কাজের সহায়তায় রাখা সেই অতিরিক্ত মাটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, “যেখান থেকে মাটি সরানো হয়েছে, সেই জায়গাটিকে ফাঁকা রাখা হবে না। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পিলারের চারপাশের ওই অংশে এখন গাছ লাগানো হবে।

