ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে একসময় গডফাদারদের রাজত্ব কায়েম ছিল এবং তা টিকিয়ে রাখতে তৎকালীন প্রশাসনের একটি অংশ নীরব ভূমিকা পালন করেছিল। পরে নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নিয়ে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটন করে।
তিনি জানান, সাতজন র্যাব কর্মকর্তা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর প্রকাশ্য সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচারিক প্রক্রিয়ায় ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে এবং ১১ জনের সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করে।
সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি আপিল বিভাগে ঝুলে আছে। বর্তমান আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল দ্রুত শুনানির আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত লিভ টু আপিল শুনানির মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি হবে।
তিনি বলেন, এই মামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হলে দেশে খুন-গুমের মতো অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে। পাশাপাশি নিহতদের পরিবার এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
মানববন্ধনে নিহত চন্দন কুমার সরকারের ভাগিনা অ্যাডভোকেট প্রিয়তম দেব বলেন, পরিবারের সদস্যরা এখনো চূড়ান্ত বিচার দেখতে পারেননি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার দ্রুত এই মামলার রায় কার্যকর করবে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, সাত খুন ও ত্বকী হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অতীতে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ছিল। বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির বলেন, দেশের মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়েছিল। বিচারিক রায় হয়েছে, এখন শুধু তা কার্যকর হওয়া বাকি। তাই আপিল বিভাগকে দ্রুত রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সাত খুন মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে একসময় গডফাদারদের রাজত্ব কায়েম ছিল এবং তা টিকিয়ে রাখতে তৎকালীন প্রশাসনের একটি অংশ নীরব ভূমিকা পালন করেছিল। পরে নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নিয়ে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটন করে।
তিনি জানান, সাতজন র্যাব কর্মকর্তা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর প্রকাশ্য সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচারিক প্রক্রিয়ায় ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে এবং ১১ জনের সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করে।
সাখাওয়াত হোসেন খান আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মামলাটি আপিল বিভাগে ঝুলে আছে। বর্তমান আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল দ্রুত শুনানির আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত লিভ টু আপিল শুনানির মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তি হবে।
তিনি বলেন, এই মামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হলে দেশে খুন-গুমের মতো অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে। পাশাপাশি নিহতদের পরিবার এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
মানববন্ধনে নিহত চন্দন কুমার সরকারের ভাগিনা অ্যাডভোকেট প্রিয়তম দেব বলেন, পরিবারের সদস্যরা এখনো চূড়ান্ত বিচার দেখতে পারেননি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার দ্রুত এই মামলার রায় কার্যকর করবে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, সাত খুন ও ত্বকী হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অতীতে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ছিল। বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির বলেন, দেশের মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়েছিল। বিচারিক রায় হয়েছে, এখন শুধু তা কার্যকর হওয়া বাকি। তাই আপিল বিভাগকে দ্রুত রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

