ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র ২৯ দিন ধরে ইরানে আগ্রাসন চালাচ্ছে। তেহরান না চাওয়ায় এতোদিন বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ইয়েমেনের যোদ্ধা গোষ্ঠী হুথি। সম্প্রতি তারা মুখ খুলেছে। এরপর থেকে অব্যাহতভাবে নানা ভাষায় হুঙ্কার দিয়ে যাচ্ছে। এবার তারা তিনটি অবস্থার কথা জানাল, যেগুলো ঘটলেই ইরানের হয়ে মার্কিন ও ইসরাইলি স্বার্থে আঘাত হানা শুরু করবে।
ইয়েমেনের হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, যুদ্ধে যোগদানের নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে তাদের যোদ্ধারা ‘সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের জন্য ট্রিগারে আঙুল’ রেখে প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি জানান, নিম্নলিখিত পরিস্থিতি তৈরি হলে হুথিরা সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপে অংশ নেবে-
যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে নতুন কোনো দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয়। যদি ইরান বা অন্য কোনো মুসলিম দেশকে লক্ষ্যবস্তু করতে লোহিত সাগর ব্যবহার করা হয়। যদি ইরান এবং প্রতিরোধের অক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়তে থাকে। সর্বশেষ পয়েন্টে তিনি ইয়েমেনের জনগণের ওপর অবরোধ আরও জোরদার করার লক্ষ্যে নেওয়া যেকোনো ‘অন্যায্য পদক্ষেপের’ বিরুদ্ধে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।
এর আগে পাঁচটি পয়েন্ট উল্লেখ করে সারি আহ্বান জানান, যেন ইরান, লেবাননসহ ‘প্রতিরোধের অক্ষভুক্ত দেশগুলোর’ সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সাড়া দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
তিনি বলেন, এই আগ্রাসন অন্যায়, নিপীড়নমূলক এবং অযৌক্তিক, যা বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাকে ব্যাহত করছে। একই সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি করছে।
তার উল্লেখিত দ্বিতীয় পয়েন্টটি ছিল ফিলিস্তিন, লেবানন, ইরাক ও ইরানে আগ্রাসন বন্ধ করা এবং ইয়েমেনের ওপর থেকে ‘অন্যায্য অবরোধ’ তুলে নেওয়া।
তৃতীয়ত, গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করা এবং মানবিক সহায়তা প্রদান ও ফিলিস্তিনিদের বৈধ অধিকারের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতাগুলো পূরণ করা।
সূত্র: আল জাজিরা।

