ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। এই সমঝোতার আওতায় ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৫৩টি আসনে জোটভুক্ত দলগুলো প্রার্থী দেবে। এর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অংশ নিচ্ছে ৩০টি আসনে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জোটের ভেতরে দীর্ঘ আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতেই এই আসন বণ্টন নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সমঝোতা অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে নির্বাচন করবে। এর পাশাপাশি এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, এলডিপি ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ২টি এবং নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি আসনে প্রার্থী দেবে। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাগপা ও খেলাফত আন্দোলনের জন্য আসন বণ্টনের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।
এদিকে এনসিপির জন্য ৩০টি আসনের কথা ঘোষণা করা হলেও আপাতত ২৭টি আসনের বিস্তারিত তথ্য সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে পঞ্চগড়-১, দিনাজপুর-৫, রংপুর-৪, কুড়িগ্রাম-২, নাটোর-৩, সিরাজগঞ্জ-৬, পিরোজপুর-৩, টাঙ্গাইল-৩, ময়মনসিংহ-১১ এবং মুন্সিগঞ্জ-২ আসন।
রাজধানী ঢাকায় এনসিপি প্রার্থী দিচ্ছে ঢাকা-৮, ঢাকা-৯, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৮, ঢাকা-১৯ ও ঢাকা-২০ আসনে। এসব আসনের মধ্যে মতিঝিল, রমনা, শাহবাগ, পল্টন, শাহজাহানপুর, খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা, বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা, উত্তরা, তুরাগ, খিলক্ষেত, সাভার ও ধামরাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ঢাকার বাইরে গাজীপুর-২, নরসিংদী-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩, কুমিল্লা-৪, নোয়াখালী-২ ও ৬, লক্ষ্মীপুর-১, চট্টগ্রাম-৮, বান্দরবান এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনেও এনসিপির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
১১ দলীয় জোটের এই আসন সমঝোতাকে আসন্ন নির্বাচনের আগে একটি বড় রাজনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে এনসিপির জন্য নির্ধারিত আসনগুলোতে দলটির রাজনৈতিক শক্তি ও সাংগঠনিক সক্ষমতা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
১১ দলীয় সমঝোতায় এনসিপির লড়াই যেসব আসনে
Leave a Comment

