ইরানের বাকি অংশও যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ধ্বংস’ করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, দেশটি পুনর্গঠন করতে ২৫ বছর সময় লাগবে। তবে তিনি এমন পদক্ষেপ নেবেন কি না, তা ‘শিগগিরই জানা যাবে’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
এদিকে, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান বলে খবর পাওয়া গেছে। ওয়াশিংটন প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে। অন্যদিকে, নিজেদের সাতটি দাবি পূরণের অপেক্ষায় রয়েছে তেহরান।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দাবি করেছে, মদিনা অঞ্চলের দিকে ছোড়া হুথিদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করেছে। তবে হুথিরা এ দাবি অস্বীকার করেছে।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিলেই ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করতে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেন্টাগনের কর্মকর্তা ও সামরিক নেতাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সম্ভাব্য অভিযানটি হবে ‘স্বল্পমেয়াদি ও তীব্র’। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের অস্ত্রভান্ডারকে বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে এবং ১২টির বেশি যুদ্ধজাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক হাজার বিমান ও নৌসেনা মোতায়েন রয়েছে। এই সামরিক উপস্থিতি ইরানে নতুন করে বড় ধরনের অভিযান চালানোর প্রস্তুতির অংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

