ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ ইসলামি আইন ও হাদিস বিশারদ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক গত জুমায় (১৫ মে, ২০২৬) জাতীয় মসজিদের খুতবায় জিলহজের আমল ও আরাফার রোজার বিধান নিয়ে কথা বলেছেন। অনেকেই প্রশ্ন করেন, জিলহজের রোজা কবে রাখতে হবে, আরাফার ময়দানে হাজিদের অবস্থানের দিন নাকি বাংলাদেশের হিজরি তারিখ অনুযায়ী ৯ জিলহজ? এই বিষয়েও আলোচনা করেন তিনি। তার আলোচনার সারাংশ জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
মুফতি আব্দুল মালেক বলেন,
বিদায় হজের সময় আরাফাতের ময়দানে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোজা অবস্থায় আছেন কি না, তা নিয়ে সাহাবিদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। এই সংশয় দূর করার জন্য রাসুলুল্লাহর (সা.) সামনে এক পেয়ালা দুধ পেশ করা হলো। তিনি সবার সামনে সেই দুধ পান করলেন। এই ঘটনা থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, বিদায় হজের দিন আরাফাতের ময়দানে নবীজি (সা.) রোজা রাখেননি। এই গুরুত্বপূর্ণ হাদিসটি ইমাম বুখারি তার ‘সহিহ বুখারিতে সংকলন করেছেন।
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, আরাফার রোজা বা ৯ জিলহজের রোজা হজ পালনকারীদের জন্য সুন্নত নয়। যদি কোনো হজ পালনকারী মনে করেন যে রোজা রাখলে তার শারীরিক কোনো সমস্যা হবে না এবং তিনি হজের অন্যান্য সমস্ত দায়িত্ব ও রোকন সুন্দরভাবে পালন করতে পারবেন, তবে তার জন্য রোজা রাখা জায়েজ বা মুবাহ। কিন্তু হজ পালনকারীদের জন্য সুন্নত হলো আরাফার দিন রোজা না রাখা, যাতে তারা পূর্ণ শক্তি নিয়ে হজের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারেন।

