যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে যাদের বিবেচনায় রাখা হয়েছিল, তাদের অধিকাংশই এখন আর জীবিত নেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে জানা যায়, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর পর তেহরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে ইরানের নেতৃত্ব প্রশ্নে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ওভাল অফিসে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প জানান, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযানের ‘তৃতীয় ধাপ’ শুরু করেছে। তার ভাষায়, প্রথম দফার হামলাতেই বহু জ্যেষ্ঠ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং দেশটির নেতৃত্ব কাঠামো বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। তিনি বলেন, যাদের পরবর্তী নেতৃত্বের জন্য ভাবা হয়েছিল, তাদের অনেকেই মারা গেছেন, এমনকি বিকল্প হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের মধ্যেও হতাহতের খবর রয়েছে।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, প্রাথমিক হামলায় ৪৯ জনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং পরবর্তীতেও নতুন নেতৃত্বের ওপর আঘাত হানা হয়েছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের ভেতরে এখন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে; অনেকে পদত্যাগ বা দায়মুক্তি চাইছেন এবং পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যেতে পারে যেখানে তারা অস্ত্র ত্যাগ করতে বাধ্য হবে।
তবে এই সামরিক পদক্ষেপের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কূটনীতিকের ইঙ্গিত ছিল, ইসরায়েলের সম্ভাব্য তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের খবর পাওয়ার পর ওয়াশিংটন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্পের অবস্থান, এটি ছিল আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। তার মতে, আলোচনার প্রেক্ষাপট এমন ছিল যে ইরান আগে হামলা চালাতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেছিলেন, তাই সেই ঝুঁকি এড়াতেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

