ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির পশু বিক্রির জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) এলাকায় ২৩টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে যানজট ও নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে এবারও শহরের অভ্যন্তরে কোনো পশুর হাট বসানো হবে না বলে জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ।
গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) এসব অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা দেওয়ার লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান করে নাসিক। একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয় সম্ভাব্য হাটগুলোর তালিকা।
জানা গেছে, গত বছর নাসিকের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২২টি অস্থায়ী পশুর হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এবারও বিভিন্ন ওয়ার্ডে হাট বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও নগরীর কেন্দ্রীয় এলাকাগুলোকে হাটমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এবারের তালিকায় সবচেয়ে বেশি কাক্সিক্ষত দর নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জালকুড়ি এলাকার একটি হাটের জন্য। ওই হাট থেকে প্রায় ২৮ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের আশা করছে সিটি কর্পোরেশন। অন্যদিকে, তালিকায় সর্বনিম্ন দর নির্ধারণ করা হয়েছে আড়াই লাখ টাকার কিছু হাটের জন্য।
নাসিক সূত্রে জানা যায়, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সানারপাড় লিপি গার্মেন্টস সংলগ্ন খালি জায়গা ও মৌচাক মাদানী নগরের বালুর মাঠে হাট বসবে। এছাড়া ৪ নম্বর ওয়ার্ডে টাইগার ওয়্যার রি-রোলিং মিলের মাঠ এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সাইলো রোড ও বটতলা এলাকায় দুটি হাটের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
৬ নম্বর ওয়ার্ডে এসও রোড টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকা, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নাভানা সিটির মাঠ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডে গোদনাইল ইব্রাহিম টেক্সটাইল মিলসের মাঠেও পশুর হাট বসবে।
সবচেয়ে বেশি হাট থাকছে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জালকুড়ি এলাকায়। এখানে দক্ষিণপাড়া, ওয়াপদা রোড ও উত্তরপাড়ায় তিনটি পৃথক স্থানে পশুর হাট বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ১০ নম্বর ওয়ার্ডের চিত্তরঞ্জন খেলার মাঠ, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ডিয়ারার মাঠ, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শীতলক্ষ্যা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা ও পাওয়ার হাউজের পাশে হাট বসানো হবে।
২০ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাকান্দা ও ফরাজীকান্দা এলাকায় দুটি হাট, ২২ নম্বর ওয়ার্ডে জহির কাজীর খালি জায়গা, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে কদমরসুল ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন সিটি কর্পোরেশনের জায়গা এবং ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে নবীগঞ্জ ও আলতাফ সাহেবের খালি জায়গায় হাট বসবে।
এছাড়া ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর লক্ষ্মণখোলা খেয়াঘাট এলাকা এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুরাদপুর গ্রামের বালুর মাঠেও পশুর হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নগরবাসীর স্বস্তি নিশ্চিত করতে এবং সড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাটগুলো নির্ধারিত স্থানে পরিচালনার বিষয়ে কঠোর নজরদারির কথাও জানানো হয়েছে।

