মধ্যপ্রাচ্যের ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার প্রভাব পড়েছে পুরো অঞ্চলটিতে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বর্তমানে ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রায় সব দেশই তাদের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীসহ ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা। এই পরিস্থিতির প্রথম শিকার হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।
পবিত্র ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরব গিয়েছিলেন মুশফিক। দুবাই হয়ে তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু আকস্মিক বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি বর্তমানে সৌদি আরবে আটকা পড়েছেন। শুধু মুশফিকুর রহিমই নন, একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন লঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করতে যাওয়া পাকিস্তানি সাংবাদিকরাও। দুবাই হয়ে তাঁদেরও নিজ দেশে ফেরার কথা ছিল।
সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ক্রিকেটার, কোচ, ম্যাচ অফিসিয়াল, সাপোর্ট স্টাফ এবং সম্প্রচারকর্মীদের নিজ নিজ দেশে ফেরা নিয়ে উদ্বিগ্ন সংস্থাটি। সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে একটি ‘ট্রাভেল সাপোর্ট ডেস্ক’ চালু করেছে আইসিসি।
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “টুর্নামেন্ট সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা এবং সুস্থতা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সবাই যেন নিরাপদে এবং ঝামেলাহীনভাবে নিজ নিজ দেশে ফিরতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আমাদের ট্রাভেল, লজিস্টিক এবং সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট কাজ শুরু করেছে।”

