ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ ইংল্যান্ডের ইনিংসের ৯৭তম ওভারের শেষ বল সেটি। স্কট বোল্যান্ডের লেগ স্টাম্পে রাখা বল ফ্লিক করে চার মারলেন ব্রাইডন কার্স। এই চারে কার্সের কোনো মাইলফলক ছোঁয়া হয়নি, দলের রানও পঞ্চাশ-এক শর মতো ঘরে পৌঁছায়নি। তবু অ্যাডিলেড গ্যালারিতে রীতিমতো উৎসবের আবহ তৈরি করে ফেললেন ইংল্যান্ডের সমর্থকেরা।
করতালি, উল্লাস আর ব্যান্ড-বাদ্যির শব্দে তৈরি হওয়া ওই উৎসবের কারণ—জয়ের লক্ষ্যটা নেমে এসেছে এক শর নিচে। ইংল্যান্ডের জন্য দিনটা শুরু হয়েছিল ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে, সম্বল ছিল মাত্র ৪ উইকেট। টেস্টের পঞ্চম দিনে প্রায় অসম্ভব মনে হওয়া সেই সমীকরণই কার্সের ওই চারের পর হয়তো খুব নাগালে মনে করতে শুরু করেছিলেন তারা। তখনো ৩ উইকেট হাতে।
তবে ইংল্যান্ডের অসম্ভব কিছু করে ফেলার সেই উৎসবটা স্থায়ী হলো মিনিটখানেক। পরের ওভারে মিচেল স্টার্কের দ্বিতীয় বলেই উইকেটের পেছনে মারনাস লাবুশেনের দুর্দান্ত এক ক্যাচে পরিণত হলেন সকাল থেকে তিন ঘণ্টা ধরে প্রতিরোধ গড়ে তোলা উইল জ্যাকস। সেখানেই শেষ। বাকি দুই উইকেট যেতে আর সময় লাগেনি।
ইংল্যান্ডকে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫২ রানে অলআউট করে অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়া জিতল ৮২ রানে। যে জয়ে টানা তৃতীয় টেস্ট জিতে ৩-০ ব্যবধানে অ্যাশেজও নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ড শুধু সিরিজই হারেনি, হেরেছে মাত্র ১১ দিনে। অ্যাশেজ ইতিহাসে এত কম সময়ে সিরিজ নিষ্পত্তির মাত্র দ্বিতীয় ঘটনা এটি।

