নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহেদ আহমেদ বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে কোনো মাদক ব্যবসায়ীকে থাকতে দেওয়া হবে না। কোনো কিশোর গ্যাং থাকবে না, কাউকে অবৈধ কর্মকাণ্ড করার সুযোগ দেওয়া হবে না। তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নিরাপদ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে যুবদলের নেতাকর্মীরা কাজ করবেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শাহেদ আহমেদ বলেন, “কোনো ডিসেম্বর আর আসবে না। যারা দেশের বাইরে চোরের মতো পালিয়ে যায়, তারা কীভাবে নারায়ণগঞ্জের নেতৃত্ব দেবে? ওসমান পরিবার ও ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি। আমাদের কোনো ব্যক্তিগত শত্রু নেই। আমাদের শত্রু ফ্যাসিস্ট হাসিনা, আমাদের শত্রু ওসমান পরিবার।”
তিনি আরও বলেন, গত সাত মাসে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও কর্মকাণ্ডে মানুষ দেখেছে, কীভাবে কথার পরিবর্তে কাজের মাধ্যমে অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা যায়। নেতৃত্বের সদিচ্ছা শুধু বক্তব্যে নয়, কাজের মধ্য দিয়েই প্রকাশ পায়। যুবদলও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে চায়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি থেকে নারায়ণগঞ্জবাসীর উদ্দেশে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে মহানগর যুবদলের এই নেতা বলেন, “যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমি নারায়ণগঞ্জবাসীকে ওয়াদা করতে চাই, এই নারায়ণগঞ্জ হবে তারেক রহমানের নারায়ণগঞ্জ। এখানে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং কিংবা কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের স্থান হবে না।”
তিনি বলেন, যুবদল কেবল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন বা মিছিল-মিটিংয়ের মধ্যে নিজেদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তরুণ সমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখা এবং এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতেও নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
শাহেদ আহমেদ আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ প্রত্যাশা করছে। সেই প্রত্যাশা পূরণে যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং যেকোনো অন্যায় ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, নিরাপদ ও জনবান্ধব নারায়ণগঞ্জ প্রতিষ্ঠা করাই যুবদলের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংগঠনের প্রতিটি নেতাকর্মীকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে এবং নিজেদের কাজের মাধ্যমে দলের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে হবে।

