ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ আফগান-পাকিস্তান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, এটা একটু দুঃখজনক ব্যাপার। আমরা এখনই প্রকাশ্যে এই বিষয়ে কিছু বলছি না। আমরা আমাদের মতো করে বন্ধুদের বোঝানোর চেষ্টা করছি, যে এ ধরনের যুদ্ধ কারো জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। এর বাইরে কিছু বলার নাই।
শুক্রবার রাতে সৌদি আরব থেকে ফিরে এসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
ওআইসি বৈঠক প্রসঙ্গে ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্যালেস্টাইন প্রশ্নে আমাদের অবস্থান দ্যর্থহীন এবং কোনভাবে কোন পরিবর্তন হবে না।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচনে ওআইসি নেতৃবৃন্দদের সমর্থন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের বিবেচনায় ছিল দুটো বিষয় যে, ৪০ বছর পর আবার আমরা এই পদে নির্বাচিত হওয়ার একটা সুযোগ পাচ্ছি। আর এই অঞ্চলের দেশ হিসাবে এই অঞ্চলের স্বার্থ রক্ষা আমাদের একটা প্রধান দায়িত্ব। এই অঞ্চলের স্বার্থ যদি এই অঞ্চলের দেশগুলো না দেখে বাইরে থেকে কেউ এসে দেখবে না। এই দুটো বিবেচনায় আমরা ইন্টারিম গভর্নমেন্টের সময় প্রার্থিতা দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করেছি এবং ১৯৮৬ সালে ৪১ তম জেনারেল এসেম্বলিতে আমাদের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ন রশিদ চৌধুরী ছিলেন আমাদের ক্যান্ডিডেট এবং সেই রীতি অনুযায়ী আমরা ইন্টারম গভর্মেন্টের ফরেন এডভাইজার তৌহিদ হোসেনকে প্রার্থিতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। গত সেপ্টেম্বর মাসে আমরা এটা পরিষ্কার হই যে, প্যালেস্টাইন তাদের প্রার্থিতা বজায় রাখবে আমরা তখন আমাদের যে প্রার্থিতাকে আমরা সাসপেনশনে রাখি। আমাদের একটা আশঙ্কা ছিল যেহেতু প্যালেস্টাইন জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয় সেহেতু হয়তোবা একসময় তারা প্রার্থী উইথড্র করতে পারে।
তিনি বলেন, সে অবস্থাতে এশিয়া অঞ্চল থেকে আমাদের প্রার্থিতা বজায় রাখা দরকার ছিল এবং আমাদের সে আশঙ্কা অনুযায়ী বা অনুমান অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত কয়েকদিন আগে প্যালেস্টাইন তাদের প্রার্থীতা তুলে নিয়েছে,, প্রত্যাহার করেছে এবং আমাদের প্রার্থীটা অটোমেটিকলি, এটা তো আমরা তুলে নিইনি। সরকার বদল হয়েছে প্রার্থী বদল হয়েছে, তৌহিদ সাহেব উনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ছিলেন এখন আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আমাকে সেখানে অটোমেটিক আমার নাম এসেছে।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, আমাদের একটা চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যে সাইপ্রাস সারা বছর জুড়ে প্রচার করেছে। আমাদের হাতে মাত্র আছে তিন মাস বা তার চেয়ে কম। তো এই অবস্থাতে আমাদের প্রধান একটা উপযোগ্য বিষয় ছিল যে, এই অল্প সময়ে আমরা কতটুকু পথ অতিক্রম করতে পারবো নিশ্চিত জয়ের জন্য এবং সেটা বুঝার জন্য আমরা আমাদের ওআইসি বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা তাদের কাছ থেকে অকুন্ঠ সমর্থন পেয়েছি, জোর সমর্থন পেয়েছি এবং তারা বলেছেন যে তারা শুধু আমাদেরকে আমাদের সমর্থনই করবেন না, আমাদের প্রার্থীতার পক্ষে তারা সারা বিশ্বে প্রচারণা চালাবেন।

