ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লীগ সকারের (এমএলএস) বর্ষসেরা ফুটবলার কে হতে যাচ্ছেন, তা অনুমিতই ছিল। এবার চলে এলো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও। টানা দ্বিতীয়বারের মতো এমএলএসের মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার (এমভিপি) জিতে অনন্য আসনে বসলেন মেসি। এমএলএসের তিন দশকের ইতিহাসে টানা দু’বার এ স্বীকৃতি পাওয়া প্রথম ফুটবলার হিসেবে নজির গড়লেন ইন্টার মায়ামি অধিনায়ক।
এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে ২৮ ম্যাচে ২৯ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড মেসি। সঙ্গে করেন ১৯ অ্যাসিস্টও। গত মৌসুমে সব মিলিয়ে ৩৬ গোলে অবদান রাখেন মেসি। একাধিক মৌসুমে অন্তত ৩৬ গোলে অবদান রাখা এমএলএসের প্রথম ফুটবলারও মেসিই। তাই এমভিপি ফের মেসির হাতেই ওঠার বিষয়ে আগেই নিশ্চিত হওয়া যায় অনেকাংশে।
এ লড়াইয়ে সংবাদমাধ্যমের থেকে ৮৩.০৫ শতাংশ, খেলোয়াড়দের থেকে ৫৫.১৭ শতাংশ ও ক্লাব থেকে ৭৩.০৮ শতাংশ ভোট পান ৩৮ বছর বয়সী মেসি। সব মিলিয়ে, আর্জেন্টাইন জাদুকরের গড় ভোট প্রাপ্তির হার ৭০.৪৩ শতাংশ। দুইয়ে থাকা স্যান ডিয়াগোর ডেনিশ উইঙ্গার আনাস ড্রেয়ারের ভোট প্রাপ্তির হার স্রেফ ১১.১৫ শতাংশ। এমএলএসে একাধিকবার এমভিপি জেতা দ্বিতীয় ফুটবলার মেসি। এর আগে ১৯৯৭ ও ২০০৩-এ পুরস্কারটি জেতেন কানসাস সিটি উইজার্ডেরর সার্বিয়ান তারকা প্রেদ্রাগ রাদোসেভিয়াভিচ, যিনি পরিচিত ছিলেন প্রেকি নামে।
গত রোববার ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের সঙ্গে ৩-১ গোলের জয়ে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপের শিরোপা জেতে মায়ামি। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া অ্যাসিস্ট করেন মেসি। পুরো আসরজুড়েই দারুণ ছন্দে ছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। নিয়মিত মৌসুমে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া ১৮ দলের এমএলএস প্লে অফে ৬ ম্যাচে ৬ গোল ও ৯টি অ্যাসিস্ট করেন মেসি। প্লে অফে এমন ১৫ গোলের অবদান আগে দেখেনি এমএলএস। এক মৌসুমে ১০ ম্যাচে একাধিক গোল করার রেকর্ডও গড়েন এলএমটেন। আগের রেকর্ডটি ছিল আট ম্যাচের। এছাড়া, ২৮শে মে থেকে ১২ই জুলাইয়ের মধ্যে টানা পাঁচ ম্যাচে একাধিক গোল করেন তিনি, এটিও রেকর্ড।
১৯৯৬ থেকে প্রদান করা হচ্ছে ল্যান্ডন ডেনোভান এমএলএস এমভিপি পুরস্কারটি। খেলোয়াড়, ক্লাবের স্টাফ ও গণমাধ্যমের ভোটে দলের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান হিসেবে বিবেচিত খেলোয়াড়ের হাতেই ওঠে এ পুরস্কার।

