ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ ইসলামে জানাজা নামাজে অংশগ্রহণের বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদা রয়েছে। এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মৃত ব্যক্তির জানাজা নামাজ আদায় করে, সে এক কিরাত পরিমাণ নেকি অর্জন করে। আর যে ব্যক্তি জানাজার নামাজ আদায়ের পাশাপাশি দাফন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকে, সে দুই কিরাত সওয়াব লাভ করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এক কিরাত উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বড়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৪৫)
অনেক সময় জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। মুসলমানদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ মৃত ব্যক্তির পরকালের কল্যাণে সহায়ক হয়। হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই বিষয়ে সুসংবাদ দিয়েছেন যে, জানাজার নামাজে অংশগ্রহণকারী মুসল্লির সংখ্যা যত বেশি হয়, মৃত ব্যক্তির জন্য তা তত বেশি কল্যাণ বয়ে আনে। এ বিষয়ে হাদিস শরিফে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।
উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে মৃত ব্যক্তির জানাজায় একশ জন মুসলমান অংশ নেয় এবং সবাই তার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ বা ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাদের সেই সুপারিশ কবুল করেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২০৮৭)
রেকটি হাদিসে আল্লাহর অশেষ রহমতের কথা আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলমান মারা গেলে তার জানাজায় যদি এমন চল্লিশজন মুমিন উপস্থিত থাকে, যারা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করে না, তবে আল্লাহ সেই মৃত ব্যক্তির ব্যাপারে তাদের সুপারিশ কবুল করেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২০৮৮)

