LOGo  


২৪ ঘন্টা আপনার পাশে, আপনার সাথে ডেইলি নারায়ণগঞ্জ ২৪ ডটকম

dailynarayanganj24@gmail.com

 

 

৪০ উইকেট নিয়ে স্পিনারদের বিশ্বরেকর্ড

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃসিরিজের দুই ম্যাচে উইন্ডিজের পুরো ৪০ উইকেটই ভাগাভাগি করেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। এটি বিশ্বরেকর্ড। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে আগে কখনোই স্পিনারদের ৪০ উইকেট পেতে দেখা যায়নি। এমন আগের রেকর্ডটিও ছিল বাংলাদেশের। ২০১৬ তে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের হোম সিরিজে ৩৮ উইকেট পান বাংলাদেশের স্পিনাররা। চলতি বছর নিজ মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে লঙ্কান স্পিনারদের ৩৭ উইকেট শিকারের কীর্তিটি রয়েছে তালিকার তৃতীয় স্থানে।


ঢাকা টেস্ট শেষে আরো যা উঠলো রেকর্ড বইয়ে-
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ রানের লিড নেয় বাংলাদেশ। টেস্টে এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ লিড। ২০০২ সালের ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ লিড পায় ৩৯৭ রানের।
এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে ওটাই ক্যারিবীয়দের সর্বোচ্চ লিড। ১৬ বছর পর বাংলাদেশও পাল্টা জবাব দিলো, ঠিক ৩৯৭ রানের লিড নিয়ে। ২০০২ সালে ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশ হেরেছিল ইনিংস ও ৩১০ রানে। এবার উইন্ডিজকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে টাইগাররা রচনা করলো নতুন ইতিহাস। টেস্টের প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭০২ রানের লিডের রেকর্ড ইংল্যান্ডের। ১৯৩৮ সালের আগস্টে ওভাল টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৯০৩ রান।  জবাবে ২০১ রানে গুঁড়িয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।
কোনো দলের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের নজির ছিল না বাংলাদেশের। এর আগে টেস্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড ছিল ২২৬ রানের ব্যবধানে ২০০৫-এ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। আর টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবার প্রতিপক্ষ দলকে ফলোঅনে ফেললো বাংলাদেশ।
টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এটি অষ্টম বড় ব্যবধানে হারের রেকর্ড। এমন শীর্ষ ঘটনায় ২০০৭ এ লিডস টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে ইনিংস ও ২৮৩ রানে হার দেখে ক্যারিবীয়রা।
ঢাকা টেস্টে মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার ১১৭ রানে ১২ (৭+৫) উইকেট। টেস্টে বাংলাদেশি কোনো বোলারের সেরা বোলিং ফিগার এটি। এতে মিরাজ ভাঙলেন নিজেরই রেকর্ড। আগের ঘটনায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৬’র ঢাকা টেস্টে মিরাজের বোলিং ফিগার ছিল ১২/১৫৯। সেবার ম্যাচের উভয় ইনিংসে ৬ উইকেট পান মিরাজ।
দেশের মাটিতে ১০ টেস্টে মিরাজের শিকার দাঁড়ালো ৫৮-তে। গড় ২০.৬৮। দশ ম্যাচের দুটিতে ১০ উইকেট ও ছয় বার ইনিংসে পাঁচ উইকেটের কৃতিত্ব দেখালেন তিনি।
সিরিজে ব্যাট হাতে সেঞ্চুরির দেখা পাননি ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো খেলোয়াড়। আর বল মোকাবিলার ঘটনায় একমাত্র ক্যারিবীয়দের ‘সেঞ্চুরি’ মাত্র একটি। চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০১ বল মোকাবিলা করেন উইন্ডিজের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান শেন ডাওরিচ। সিরিজে দ্বিতীয় সর্বাধিক ৯২ বল খেলেন ঢাকা টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে শিমরন হেটমায়ার।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড এটি। এমন আগের রেকর্ডে চলতি বছরই জ্যামাইকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৯ অলআউট হয় স্বাগতিক উইন্ডিজ। যদিও ওই ম্যাচে জয় দেখে তারা।
ব্যাট হাতে ৯২ বলে ৯৩ রানের ইনিংসে ৯টি ছক্কা হাঁকান হেটমায়ার। একে টেস্টের এক ইনিংসে সর্বাধিক ছক্কার রেকর্ড ক্রিস গেইলের পাশে নাম উঠলো তার। তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৩৩ রানের ইনিংসে গেইল ৯ ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন ৪৩৭ বল মোকাবিলায়।
সিরিজে উইকেট প্রতি উইন্ডিজের স্কোর ১৭.৭২ রান। তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে দুই বা বেশি ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এর চেয়ে বাজে স্কোরের ঘটনা রয়েছে মাত্র তিনটি। এমন শীর্ষ ঘটনায় ২০০৫’র শ্রীলঙ্কা সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেট প্রতি স্কোর ছিল ১৭.০৭।

সংবাদ শিরোনাম