LOGo  


২৪ ঘন্টা আপনার পাশে, আপনার সাথে ডেইলি নারায়ণগঞ্জ ২৪ ডটকম

dailynarayanganj24@gmail.com

 

 

কোয়ার্টার ফাইনালে বসুন্ধরা কিংস ও শেখ জামাল

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:ম্যাচ শেষে দুই কোচের দুই রকম অভিব্যক্তি। নোফেলের কোচ কামাল বাবু যখন মাটিতে মাথা ঠেকিয়ে ড্রয়ের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন, তখন বেজায় ক্ষুব্ধ বসুন্ধরা কিংসের স্প্যানিশ কোচ। মাঠে নোফেলের খেলোয়াড়দের অকারণে কালক্ষেপণ ও ফাউলপ্রবণ খেলা মেনে নিতে পারছিলেন না অস্কার ব্রুজোন। খেলার স্বাভাবিক ছন্দ বারবার ব্যাহত হয়েছে আর সেটাই ভুগিয়েছে বসুন্ধরা কিংসকে।

সেই ভোগান্তিতে পড়ে তারা ১-১ গোলে ড্র করেছে নোফেলের সঙ্গে। মোহামেডানের বিপক্ষে প্রথম জয়ের পর টানা দ্বিতীয় ড্রয়ে বসুন্ধরা কিংস ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে। গতকাল মোহামেডানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করা শেখ জামালও একই সংগ্রহ নিয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও হয়েছে রানার্স-আপ হয়ে শেষ আটে। বিদায় নিয়েছে মোহামেডান ও নোফেল।

সেরা দল হলে যা হয়, তাদের বিপক্ষে সবাই খেলে রক্ষণ আগলে কাউন্টার অ্যাটাক ফুটবল। অল আউট খেলেতে গেলে গোলের ফোয়ারা বইবে। এই বাস্তবতার কথা স্বীকার করে নোফেল কোচ কামাল বাবুও বলেছেন, ‘আমরা রক্ষণ সামলে কাউন্টার অ্যাটাকে খেলেছি আর কলিনড্রেসের শ্যুটিং জোনটা বন্ধ করার চেষ্টা করেছি। এটাই আমাদের পয়েন্ট দিয়েছে।’ তবে ৩৩ মিনিটে তারা গোল হজম করে বসেছিল। বাঁ দিক থেকে ইব্রাহীমের ক্রসটি গোলরক্ষক বেরিয়ে এসেও নাগাল পাননি। সহজেই দূরের পোস্টে বল প্লেসিং করে মাশুক মিয়া এগিয়ে নেন বসুন্ধরা কিংসকে।

লিডের পরপরই কিংস কোচের আত্মবিশ্বাস যেন বেড়ে যায়। ডিফেন্ডার শোয়েবকে তুলে নিয়ে যোগ করেন অ্যাটাকার মতিন মিয়াকে। আর্থাৎ আরো বেশি আক্রমণত্মক এবং গোল চাই আরো। মতিন নেমেই তৈরি করেন দারুণ এক সুযোগ। ডিফেন্ডার গোতরের চমৎকার লং বলটি এ বদলির পায়ে পড়তেই দুজনকে পরাস্ত করে গোলমুখ খুলে দেন সবুজের জন্য। দুর্ভাগ্য এই দেশি স্ট্রাইকারের, ডান-বাঁয়ে না মেরে তুলে দেন নোফেল গোলরক্ষক আপেল মাহমুদের হাতে। এটি ফিনিশ করতে পারলেই খেলা সহজ হয়ে যেত কিংসের। বিদেশিরাও মার্কার এড়িয়ে খেলতে পারতেন। সেটা না হওয়ায় কিংসের রক্ষণে সব সময় একটা চাপ থাকে, বিশেষ করে ‘মেক-শিফট’ রক্ষণ দিয়ে যখন কাজ চলছে। এ রকম রক্ষণের ভুলের প্রবণতা থাকেই। ৬০ মিনিটেই করে ভুল, কিংসলে চিগোজিকে কেউ প্রহরায় রাখতে পারেননি কিংসের রক্ষণভাগ। তাঁর রক্ষণভেদী পাসে আশরাফুল কোনাকুনি শটে বল জালে পৌঁছে দিয়ে চাপে ফেলে দেয় বসুন্ধরা কিংসকে।

তাই রিজার্ভ বেঞ্চ ছেড়ে নামতে হয় ভিনিসিয়াসকে। সবুজের বদলি হয়ে নামেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড; কিন্তু ততক্ষণে নোফেল রক্ষণে ১০ জনের প্রহরা বসায়। বল পায়ে নিয়ে সেখানে ঢোকা বড় কঠিন, পাসিং খেললেও আটকে যাচ্ছে প্রতিপক্ষের পায়ে। এর পরও ৯০ মিনিটে ভিনিসিয়াসের সামনে ছিল গোলের সুবর্ণ সুযোগ, শেষ ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করেও তিনি ফিনিশ করতে পারেননি। শট নেওয়ার মুহৃর্তে এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে নোফেলকে জয়ের সমান আনন্দ ভাসিয়ে দেন।

সংবাদ শিরোনাম