LOGo  


২৪ ঘন্টা আপনার পাশে, আপনার সাথে ডেইলি নারায়ণগঞ্জ ২৪ ডটকম

dailynarayanganj24@gmail.com

 

 

নৌকা-লাঙল, ধানের শীষে ১০, স্বতন্ত্র হেভীওয়েট ২

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নির্বাচনে বড় দুটি দলের একটি আওয়ামীলীগের

জোট মহাজোটের প্রার্থী এবং অপরটি বিএনপির জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের চূড়ান্ত প্রার্থীদের ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগ থেকে বর্তমান সাংসদ গোলাম দস্তগীর গাজীকে মনোনয়নপত্র দেয়া হয়েছে। অপরদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগ থেকে বর্তমান সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবুকে মনোনয়নপত্র দেয়া হয়েছে। অপরদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তজার্তিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টি থেকে বর্তমান সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকাকে মনোনয়নপত্র দেয়া হয়েছে। অপরদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মান্নানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তবে এ আসনে হেভীওয়েট প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সারকে ভোটযুদ্ধে দেখা যাবে। যদিও রোববার নির্বাচন কমিশনের বেধে দেয়া মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন।

নারারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগ থেকে বর্তমান সাংসদ একেএম শামীম ওসমানকে মনোনয়নপত্র দেয়া হয়েছে। অপরদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে ইসলামী উলামায়ে বাংলাদেশের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে মনির হোসেন কাসেমীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তবে এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে হেভীওয়েট প্রার্থী হিসেবে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সাংসদ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনকে ভোটযুদ্ধে দেখা যাবে।

নারারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টি থেকে বর্তমান সাংসদ একেএম  সেলিম ওসমানকে মনোনয়নপত্র দেয়া হয়েছে। অপরদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে নাগরিক ঐক্যের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে দলটির উপদেষ্টা এস এম আকরামকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যেহুতু ৯ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষদিন। দুটি আসনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির বিদ্রোহী দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী যদি তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করে নেন তবে নির্বাচনে জটিল সমীকরণ তৈরি হবে। ইতিমধ্যে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বরাবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে পত্র দিয়েছেন। বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীদের উপরও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার চাপ রয়েছে। তবে তারা যদি শেষ পর্যন্ত তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন তবে নির্বাচনে ভিন্ন আমেজ তৈরি হতে পারেন বলে ভাবছেন বিশ্লেষকরা।

সংবাদ শিরোনাম