LOGo  


২৪ ঘন্টা আপনার পাশে, আপনার সাথে ডেইলি নারায়ণগঞ্জ ২৪ ডটকম

dailynarayanganj24@gmail.com

 

 

হতাশ তৃনমূল কোন পথে হাটছে না’গঞ্জ বিএনপি

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ এবারের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে ধানেরশীষের প্রার্থী সমর্থনে হতাশ বিএনপি’র তৃনমূল। এ যাবৎ পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে ঢাকার পাশবর্তী জেলা নারায়ণগঞ্জে প্রার্থী সমর্থনে হেভীওয়েটদের ফেবারে গেলেও একাদশের ক্ষেত্রে সূচনা হয়েছে নাটকীয় অধ্যায়ের। গণতন্ত্র উদ্ধার ও চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মুক্তির জন্য আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করার ঘোষনা দিলেও শেষ পর্যন্ত এর ফল কি দাড়ায় তা এখন দেখার অপেক্ষায় সমর্থিত্ব রাজনৈতিক মহল। কারন নির্বাচনে অংশগ্রহন আন্দোলনের হিসেব নিকাশের খাতায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলের  প্রার্থী সমর্থন গনেশ্ব উল্টে দেয়ার আবাস বইছে বলে দাবী তৃনমূলের।

এ বিষয় স্থানীয় বিএনপি’র তৃনমূল দাবী করে বলেন, আন্দোলনের সূতিকাগার হিসেবে খ্যাত নারায়ণগঞ্জ বিএনপি দলের হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তে আমরা হতাশ। আমরা বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহন করে সরকারের মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে জেল জুলুম সহ্য করেছি। এখনও মামলার গানি টেনে চলছি প্রতি সপ্তাহে আদালতে মামলার হাজিরা দিয়ে যাচ্ছি। দলের জন্য পরিবার পরিজন ছেড়ে ছন্ন ছাড়া হয়ে বাহিরে থাকি কেন? একটাই কারন দেশ ও মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য জুলুম বাজ অবৈধ সরকারের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। কিন্তু যেখানে আমাদেরই অধিকার নেই দলের হাই কমান্ডের কাছে সেখানে কিভাবে সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে যুদ্ধ করবো। কোন প্লাটফর্ম থেকে আমরা কাজ করবো। বর্তমান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নামে বিএনপির ঐক্য নষ্ট করে অযোগ্য, অসাংগঠনিক, গ্রহনযোগ্য হীনদেরকে দলের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। যা আমরা কখনই মেনে নিতে পারবো না। যোগ্য প্রার্থী থাকার পরও মাঠ পর্যায় যাদের কোন অবস্থান নেই, যারা দলের কেউ না কখনই নির্বাচনে ১০ হাজার ভোট পাওয়ার যোগ্যতা নেই তাদেরকে ধানের শীষ প্রতিক দিয়ে দল থেকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। যেটা স্থানীয় নেতা কর্মীদের বঞ্চিত করা হলো। এর মধ্যে মনির হোসেন কাশেমী যাকে দল থেকে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে অথচ এই প্রার্থীকে আমরা কেউ চিনি না। অপর দিকে নারায়ণগঞ্জ (সদর-বন্দর) ৫ আসনে সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক এস এম আকরামকে দেয়া হয়েছে। যিনি ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগের হয়ে নির্বাচন করে সাংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তৎকালীন সময়  তার অত্যাচারে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাড়ীতে থাকতে পারিনি। মামলা হামলার শিকার হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাড়ী ছাড়া হয়ে ছিলাম। এছাড়াও তার সফলতা নেই এই আসনে বর্তমান মহাজোটের সাংসদ সেলিম ওসমানের কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত সৈনিক তিনি। তার ব্যর্থতার কারনে নিজের অস্থিত্ব রক্ষার জন্য দল থেকে পদ ত্যাগ করেছিলেন। একাদশ নির্বাচনে বিএনপি থেকে তাকেই মনোনয়ন দেয়া হয়েছে এটা আমাদের জন্য লজ্জা। অথচ এই দু’টি আসনেই দলের হেভীওয়েট প্রার্থী রয়েছে। যারা বিগত দিনে দলের হয়ে ভোট যুদ্ধে অংশগ্রহন করে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এক জন আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন অপর জন ৩ বারের সাবেক সাংসদ এড. আবুল কালাম। বিএনপির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে তার বাবা মরহুম জালাল হাজী নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। বাবার পর এই আসনে মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ এড. আবুল কালাম এই আসনের হাল ধরে ছিলেন। যাকে সবাই ক্লিন ইমেজ ও সাংগঠনিক লোক হিসেবে চিনেন।

তারা আরও বলেন, দলের হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তে আমরা খুবই আশাহত হয়েছি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুন্যের অহংকার তারেক রহমান যদি কাছে থাকতেন তাহলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতো না। আমরা মনে করি এটা সরকারের এজন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য দলের হাই কমান্ডের কিছু স্বার্থবাজ নেতারা আতাঁত করে এই ধরনের কাজ করেছে। আমরা তাদের সিদ্ধান্তকে প্রত্যাক্ষান করছি। সেই সাথে নির্বাচনী মাঠে ক্ষমতাশীনদের কাছে আত্মসমর্পন আমরা কখনই মেনে নিবো না।

সংবাদ শিরোনাম