LOGo  


২৪ ঘন্টা আপনার পাশে, আপনার সাথে ডেইলি নারায়ণগঞ্জ ২৪ ডটকম

dailynarayanganj24@gmail.com

 

 
Previous ◁ | ▷ Next
 
2019-01-21-14-57-38ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে বহিরাগতদের নিয়ে ততই আতংকে রয়েছে বিএনপি পন্থী আইনজীজীরা।আগামী ২৪ জানুয়ারী নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ পন্থী আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সহ সকল প্রার্থী ব্যাপক প্রচার...
     
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ ২৪ ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামীলীগ এর দীর্ঘ মেয়াদী কমিটি গুলোর অবসান...
 
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ  নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তথা উপমন্ত্রী ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন,রাজবাড়ী...
     
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ  ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর এলাকায় চাঁদাবাজীর মামলায় গ্রেফতারকৃত কুতুবপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ...
 
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ  জমে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে সম্মিলিত আইনজীবী...
 
নগর-মহানগর
 
     
 
ফতুল্লা
 
     
 
বন্দর
 
     
 
সিদ্ধিরগঞ্জ
 
     
 
সোনারগাও
 
     
 
রূপগঞ্জ
 
     
 
আড়াইহাজার
 
     
 
 
 
 
সর্বশেষ ২৪ শিরোনাম
 
 
বিশেষ সংবাদ
 
বিজ্ঞাপন
 
সাক্ষাতকার
 
বিজ্ঞাপন
 
খেলা
 
বিজ্ঞাপন
 
বিনোদন
 
বিজ্ঞাপন
দূভোর্গ
 
আলোচিত সংবাদ
 
 
 
 
 
 

শহরাঞ্চলে পরিবেশ দূষণের ক্ষতি বছরে ৫৪ হাজার কোটি টাকা: বিশ্বব্যাংক

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: বিভিন্ন ধরনের দূষণ এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ের দিক থেকে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। পরিবেশগত বিপর্যয়ে এ দেশে বছরে ক্ষতির পরিমাণ ৬৫০ কোটি ডলার বা ৫৪ হাজার কোটি টাকা, যা এক বছরের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রায় ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এ হিসাব শুধু শহরাঞ্চলের। সারাদেশে এ বাবদ ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ অনেক বেশি।

বাংলাদেশের পরিবেশগত মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে বিশ্বব্যাংক। রোববার ঢাকায় এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ অফিস।

'বাংলাদেশের শহরাঞ্চলের সবুজ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির সুযোগ: পরিবেশগত মূল্যায়ন-২০১৮' শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দেশের দূষণ ভীতিকর পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০১৫ সালে শহরাঞ্চলের ৮০ হাজার মানুষ মারা গেছে দূষণের কারণে। দূষণের কারণে সৃষ্ট রোগ-বালাইয়ে প্রতিবছর সারা দেশে মারা যায় ২৮ শতাংশ মানুষ। এই হার বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বৈশ্বিক গড় এখন ১৬ শতাংশ। উচ্চ প্রবৃদ্ধি এবং উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে উন্নীত হতে বাংলাদেশকে এ অবস্থা নিরসনে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিশ্ব ব্যাংক। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। আলোচনায় তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের এই প্রতিবেদন বাংলাদেশের জন্য 'আই ওপেনিং'। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সরকার।

মন্ত্রী বলেন, ইট ভাটার কারণে ৬০ শতাংশ পরিবেশ দূষিত হয়। এ কারণে ৮০ শতাংশ ইটভাটার অনুমোদন দেয়নি সরকার। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ইটভাটার দূষণ শনাক্ত করা হবে এবং ঝুকিপূর্ণ ইটা ভাটা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

পরিবেশ আইন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় নতুন একটি আইন হচ্ছে। 'পরিবেশ আইন-২০১৮' আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং-এর জন্য রয়েছে। আগামী সংসদেই আইনটি পাস হওয়ার কথা। কোনো কারণে সংসদের মাধ্যমে আইন পাস করা না গেলেও গুরুত্বের বিবেচনায় অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম নেবে সরকার। এ বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।

আলোচনায় বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজাশ্রী পারালকার বলেন, পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে বাংলাদেশকে অনেক খেশারত দিতে হচ্ছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। শিল্পায়নে সবুজ প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকার ইতিমধ্যে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা এবং সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বিশ্বব্যাংক পরিবেশ রক্ষায়ও বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

প্রতিবেদনের বিভিন্ন অংশ তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা। এতে বলা হয়, জলাভূমি দখল, বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের কারণে অন্তত ১০ লাখ মানুষ বিভিন্ন ধরনের রোগ-ব্যাধির ঝুঁকিতে রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই গরীব।

এতে আরও বলা হয়, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং শিল্পায়ন ছোট-বড় সব শহরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এ কারণে গত ৪০ বছরে ঢাকা শহরের ৭৫ শতাংশ জলাভূমি হারিয়ে গেছে। এসব জলাভূমি ভরাট করে বালির ওপর উঁচু ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এতে বন্যা এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। পরিবেশ রক্ষায় অবশ্যই জলাভূমি দখলমুক্ত করতে হবে। এসব জলাভূমি এবং খাল রক্ষায় টেকসই বিনিয়োগ করতে হবে। এটা অসম্ভব নয়। মাধবদীর একটি সফল ঘটনার কথা তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে।

পরিবেশ রক্ষায় প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশ হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, কার্যকর নীতি গ্রহণ এবং শক্তিশালী আইন করা। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন করা। সবুজ অর্থায়ন, সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করা এবং ক্ষতিকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা। এছাড়া পরিবেশের বিষয়ে ব্যাপক হারে গণসচেতনতা বাড়াতে হবে।

আলোচনায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন, বিশ্বব্যাংকের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিষয়ক ব্যবস্থাপক ক্যাসেনিয়া লভোভস্কি, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মনজুরুল হান্নান খাঁন, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুলতান আহেম্মদ।