By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24
Notification Show More
Font ResizerAa
  • প্রচ্ছদ
  • মহানগর
  • জেলাজুড়ে
    • সদর
    • বন্দর
    • ফতুল্লা
    • সিদ্ধিরগঞ্জ
    • রূপগঞ্জ
    • সোনারগাঁও
    • আড়াইহাজার
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • সাক্ষাৎকার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • নারী ও শিশু
    • সাহিত্য
    • তথ্য প্রযুক্তি
Search
Reading: যে আসন পুরো দেশের আয়না
Share
Font ResizerAa
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24
Search
  • প্রচ্ছদ
    • জেলাজুড়ে
  • জাতীয়
  • মহানগর
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • স্বাস্থ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অন্যান্য
    • কৃষি ও খামার
    • চাকুরী
    • নারী ও শিশু
    • আন্তর্জাতিক
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মতামত
    • সাহিত্য
    • তথ্য প্রযুক্তি
Follow US
জাতীয়

যে আসন পুরো দেশের আয়না

Dailynarayanganj24
Last updated: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Dailynarayanganj24
Published: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
Share
SHARE

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ তিনি থাকেন গাজীপুর সদরে। রোজ কাজে যান রাজধানীর একটি পোশাক কারখানায়, ভোটারও গুলশান-১ আসনের। তবে ভোটের এই মৌসুমে তাঁর মনটা পড়ে আছে দেশের উত্তরে তিস্তাপারে নিজের গ্রামে। এতটাই যে এই ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার কথাও ভাবছেন।

Contents
  • ভোট আর গণভোট
  • সমর্থন আর বাছাই

নদীভাঙা গ্রামটি দরিদ্র ও অবহেলিত। নাম-পরিচয় গোপন রাখার শর্তে তিনি বলেন, ‘লাঙ্গলের সেই দেশে এবার ভোটারদের ঝোঁক দাঁড়িপাল্লায় উঠছে। মানুষ প্রার্থীর জিতে আসা এবং এলাকার জন্য কাজ করার সম্ভাবনা বিচার করছে।’

তাঁর সঙ্গে হঠাৎ দেখা হয়েছিল গাজীপুর-২ আসনের মাঠ দেখতে যাওয়ার পথে, ৩ ফেব্রুয়ারি সকালে। দেশে সবচেয়ে বেশি ভোটারের আসন এটা। ভোটার আছেন আট লাখ সাড়ে চার হাজারের কাছাকাছি। তাঁদের অর্ধেকের বেশি নারী।

আসনের টঙ্গী ও গাছা এলাকায় শিল্পশ্রমিকদের, বিশেষত অভিবাসী পোশাকশ্রমিকদের ঘনবসতি, যাঁদের অনেকেই স্থানীয় ভোটার হয়ে গেছেন, অনেকের ভোট আবার যাঁর যাঁর এলাকায়। এই হাঁড়ির ভোটের ভাতে যেমন সারা দেশের আমেজ পাওয়া যায়, তেমনি এখানে আসনটি ছাপিয়ে ভোটারের মনের আভাস মেলে।

টঙ্গীর স্টেশন রোড হয়ে বিসিক শিল্পনগরীর পাশে ‘আটার কল’ এলাকায় গোপালপুরের দিকে যাচ্ছি। পথে সবচেয়ে বেশি দেখি ধানের শীষের ব্যানার। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখাও আছে বেশ, আছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ঐক্যের সদস্য এনসিপির শাপলা কলি।

গোপালপুরের ছোট রাস্তাটিতে চারজন মধ্যবয়সী নারীর দেখা পেলাম। তাঁরা একটা ধোলাই (ওয়াশিং) কারখানায় ৫০০ টাকা দিন-হাজিরায় কাজ করেন। সেদিন কাজ পাননি। ভোটের কথায় তাঁদের গলায় ঝাঁজ ফোটে।

একজন বলেন, ‘ভোট দিছি, চাকরি হয় না।’ আরেকজন বলেন, ‘আমরা খামু কী কইরা?’ তবে তিনি ময়মনসিংহের নান্দাইলে তাঁর ভোটটা দিতে যাবেন। তাঁরা হনহনিয়ে চলে গেলেন, বলে গেলেন নাম-ছবি না দিতে।

ছিমছাম একটা চালের দোকানে বসে কয়েকজন প্রবীণও একই অনুরোধ করলেন। পেশায় তাঁরা ব্যবসায়ী, ঝোঁক বিএনপির দিকে। বললেন, এ আসনে বিএনপিই এখন প্রবল। টঙ্গীতে এমনিতেও বিএনপিপন্থী সরকার পরিবারের বড় প্রভাব আছে। তবে জামায়াতের দলীয় প্রার্থী থাকলে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতো।

এই প্রবীণদের জন্য এ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি একটা বড় বিষয়। বললেন, যুদ্ধের স্মৃতি তাঁরা ভুলতে পারবেন না। একজন বললেন, হয়রানি করা না হলে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা বিএনপির দিকেই হয়তো ঝুঁকবেন।

তাঁরা সুষ্ঠু নির্বাচন আর রাস্তাঘাটে শান্তি ও নিরাপত্তা চান। একজন বললেন, ‘দেশের কন্ডিশন ভালো না।’ মানুষের এখন ধৈর্য নেই। সামান্য কারণে মানুষ মানুষকে হত্যা করছে। তাঁর কথায়, ‘মানুষের মনে অনেক দুঃখ…ভালো-মন্দ একাকার হয়ে গেছে।’

টানা ১৩ ঘণ্টায় টঙ্গী আর গাছায় অন্তত ৪০ জনের সঙ্গে কথা বলেছি। অনেকে নাম-পরিচয়-ছবি ব্যবহার না করার শর্ত দিয়েছেন। অনেকে কথা বলেননি বা বলে ফিরিয়ে নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একটি মাজারের প্রতিনিধিও আছেন।

ভোট আর গণভোট

বিকেলে গাছার মির্জাবাড়ীতে আর সন্ধ্যার মুখে টঙ্গীর পাগাড় এলাকায় বিএনপির স্লোগানের মাইকিং শুনতে পেয়েছি। ভোটারদের কথাবার্তায় আগ্রহ অনেক, তবে প্রচারের জোশ চোখে পড়েনি। আর গণভোট বিষয়টি অনেকের কাছেই পরিষ্কার নয়।

সকালে গিয়েছিলাম টঙ্গীর টিঅ্যান্ডটি বাজারে। টাটকা শাকসবজি, মাছ-মাংস-ডিম আর নানা রকম শুঁটকির দোকান। তবে তেমন ভিড় নেই, মূল ক্রেতা পোশাকশ্রমিকেরা তখন কারখানায়।

‘আলু ২০, টমেটু ৩০’ ডেকে ডেকে স্বামীর ছোট দোকানটি সামলাচ্ছিলেন তরুণ বয়সী সাথী। বললেন, ভোট অবশ্যই দেবেন। তবে কাকে দেবেন, তা এখনো ঠিক করেননি। গণভোটের কথায় মাতলেনই না।

একটা থালায় কয়েকটা কবুতরের বাচ্চা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন সফেদ দাড়ি রুহুল আমিন। তিনিও বললেন, ভোট তো দেবেনই। তবে ‘ভোটের সময় আইয়্যুক’, তখন প্রার্থী বাছবেন। আরও বললেন, ‘জিনিসপত্রের দাম যেন সীমিত থাকে। গরিব-ধনী সব যেন কিনাকাটা কইরা খাইতে পারে।’

‘হ্যাঁ-না ভোট’-এর কথা জিজ্ঞাসা করে শুনি, তিনি কিছু বোঝেন না। ‘দেওন লাগলে’ দেবেন। উল্টো দিকে টমেটো-শিম-বোম্বাই মরিচ বিক্রি করছিলেন একজন নারী। তিনি বললেন, ‘এইডা আবার কোন ভোট?’ এমন কথা কয়েকজন বললেন।

তবে একজন পুরুষ সবজি বিক্রেতা বললেন, তিনি খবরে শুনেছেন ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের অর্থ হচ্ছে কোনো দল ১০ বছরের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। আশপাশের অনেকেই এটাকে ভালো বললেন।

গাছা থানার কুনিয়া মির্জাবাড়ী এলাকার পোশাকশ্রমিক আজিজুন নাহারের সঙ্গে কথা বলি তাঁর বাসায় বসে। তিনি খুব আগ্রহ নিয়ে ভোটের দিন গুনছেন। বললেন, ছোট থাকতে একবার শুনেছিলেন ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের কথা। কিন্তু এবারেরটা তিনি বুঝতে পারছেন না। তাঁর মনটা ‘আনচান আনচান’ লাগছে। ভোটটা তিনি বুঝেসুঝে দিতে চান।

তবে মির্জাবাড়ীতেই একজন রাজমিস্ত্রি আর একজন চা-দোকানি মো. আবদুস সামাদ খবর ও নেট দেখে গণভোটের মোদ্দা কথাটা জানেন। সামাদ নীলফামারীর সৈয়দপুরে ভোট দিতে যাবেন। বললেন, ‘অতীত বাদ সব। সামনে কীভাবে আগানো যায়, সবাই মিলেই একসঙ্গে কাজ করা যায়—এটাই আর কি।’

আবদুস সামাদের দোকানে বড় পর্দার টিভি। লোকে নাকি সন্ধ্যার পর থেকে ভিড় করে ইউটিউব দেখে। তাঁরা কি জানেন, ভিডিওতে অনেক মিথ্যা ছাড়াচ্ছে? সামাদ বললেন, জানেন। তবু লোকে দেখে মজা পায়।

বিকেলে বিসিক শিল্পনগরীর পাশে ঝিনু মার্কেট এলাকায় পোশাক কারখানার তরুণ কর্মী মো. সোহেল রানা গণভোটের বিশদ ব্যাখ্যা দিলেন। আরও তিন তরুণও দেখলাম কমবেশি বিষয়টা বোঝেন, ঝোঁক ‘হ্যাঁ’তে।

পোশাকশ্রমিক রাশেদুল ইসলাম গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ভোট দিতে যাবেন। তাঁর আশা, বিএনপি বা জামায়াত যে-ই আসুক, ভালো কিছু করবে। বললেন, আগে যারা কথা দিয়ে কথা রাখেনি, তাদের পরিণতি ভয়াবহ হয়েছে। যারা আসবে তারা নিশ্চয় সমঝে চলবে।

সারা দিন ঘুরে হাতে গোনা ভোটারদের কয়েকটা সিদ্ধান্ত পেলাম: ‘হ্যাঁ’ মানে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পক্ষে, ‘না ’ মানে উল্টোটা। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ হিসেবেও ‘হ্যাঁ-না’কে দেখা হচ্ছে। ‘না’র একটা পরিষ্কার মানে ‘স্বৈরাচার’, আওয়ামী লীগ বা ভারতের পক্ষে।

সমর্থন আর বাছাই

স্থানীয় ভোটার হতে ভাড়াটেরা সচরাচর বাড়িওয়ালার ঠিকানা ব্যবহার করেন। তাঁদের ভোটের সিদ্ধান্তে বাড়িওয়ালার প্রভাবের কথা শুনেছি, তবে শ্রমিকের স্বাধীন সিদ্ধান্তের কথাও শুনলাম। মমিনুর রহমান দুই যুগের বেশি হলো টঙ্গীতে বসবাস করছেন। বামপন্থী এই শ্রমিকনেতা একসময় নিজেও পোশাকশ্রমিক ছিলেন।

মমিনুর বলেন, শ্রমিকদের একটা বড় অংশের মধ্যে জামায়াতের সমর্থক আছে। একটা কারণ, দলটিকে এলাকায় ছিনতাই-চাঁদাবাজি-মাদকে দেখা যায় না। গাছার শ্রমিকনেতা শফিউল্লাহ গাজী বলছিলেন, তাঁর এলাকায় জামায়াত প্রচুর কাজ করে।

তাঁরা বলছিলেন, জামায়াত সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করায় এবং বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকায় বিএনপি এখন নিশ্চিন্ত। জামায়াত সমর্থকদের সব ভোট তাদের ঐক্যের এনসিপি প্রার্থীর দিকে না-ও যেতে পারে।

টঙ্গীতে একজন তরুণ রিকশাচালক বলছিলেন, তিনি তাবলিগপন্থী। যদি দেন তো হাতপাখাকেই ভোট দেবেন, জামায়াতকে নয়। আবার তরুণ পোশাকশ্রমিক শাকিল আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী মার্জিয়া খাতুনের টানটা জামায়াতের দিকে, ধর্মীয় কারণে এবং ইনসাফ পাওয়ার আশায়।

ওদিকে গাছার মির্জাপুরে আজিজুন বলেছিলেন, জামায়াত এখন অধিকার দেওয়ার কথা বলছে। তাঁদের ভয়, পরে যদি পাল্টে যায়? মেয়েদের কাজ করায় যদি বাধা আসে? অনেক নারী কর্মী পরিবারকে টানেন।

ভোটের ছুটি সামনে রেখে কারখানাগুলোতে টানা কাজ হচ্ছে। শ্রমিকের দম ফেলার সময় নেই। টঙ্গী বিসিকের একটি কারখানা থেকে সন্ধ্যা সাতটায় বেরোলেন সামিয়া আক্তার। তিনি ধর্মভীরু। বললেন, প্রতি বৃহস্পতিবার লাঞ্চের সময় কারখানায় বড় আপুরা তালিম করান, ভালো কথা শেখান।

মানসিক ভারসাম্যহীন মা আর ভাইয়ের খরচ টানতে বাবা সামিয়ার রোজগারের ওপর নির্ভর করেন। ২৯ বছরের জীবনে এবারই তিনি প্রথম ভোট দেবেন। কারণ, তাঁর একটা ‘নিজস্ব পরিচয়ের দরকার আছে’। সামিয়ার ভোট টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে। প্রার্থীদের সম্পর্কে এখনো জানা হয়নি, বাবার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেন।

সামিয়া নিজে এমন প্রার্থী চান, যিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন, ধর্মবিরোধী কিছু করবেন না, জিনিসের দাম কমাবেন, নিরাপত্তা, কাজের পরিবেশ, চলার মতো বেতন, শিক্ষা আর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবেন।

ঢাকায় ফেরার আগে রাতে কথা বলি একজন সংখ্যালঘু নারী পোশাকশ্রমিকের সঙ্গে, তাঁর অতি ছোট ঘরটাতে বসে। তিনি এখানে মেয়েকে নিয়ে থাকেন, তাকে স্কুলে পড়াচ্ছেন। স্বামী আলাদা অন্যত্র থাকেন।

এই নারী বললেন, কাকার কাছে শুনেছেন ‘আন্দোলনের পর’ গ্রামে কিছু সমস্যা হয়েছিল। তবে তিনি নিজে ভয়ের কিছু দেখেন না, মনে সাহস নিয়ে চলেন। তাঁর ভোট গ্রামে।

বললেন, এটাই তাঁর জন্য জাতীয় পর্যায়ে ভোট দেওয়ার প্রথম সুযোগ। তবে মেয়ের দায়িত্ব আছে, হয়তো শেষ পর্যন্ত যেতে পারবেন না।

ঢাকায় ফেরার পথে প্রমীলা রানী বর্মনের কথা ভাবছিলাম। তিনিও পোশাকশ্রমিক। তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছিল বিকেলে টঙ্গীতে। তাঁর ভোটও এখানে। তিনি ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের ব্যাপারটা বোঝেন না, তবে বোঝেন যে ভোট দিতে হবে।

প্রমীলা বলেছিলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, দিদি। খেটে খাই। যেখানে আমাদের দেখবে…যেখানে আমরা সাপোর্টিং পাব, সেখানেই তো আমাদের ভোট দিতে হবে, তাই না?’

এই আসনে প্রার্থী প্রসঙ্গে সারা দিন সবাই ধানের শীষ বনাম শাপলা কলির সমর্থনে থাকা দাঁড়িপাল্লার নাম নিয়েছেন। যাঁদের ভোট বাড়িতে, তাঁদের কথাতেও এ দুটি নামই শুনলাম। কিন্তু ভোটযুদ্ধ ছাপিয়ে তাঁদের কথায় বড় হয়ে এসেছে, একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ আসবে তো?

বাসাটির প্রতি মায়া জন্মে গেছে: আসিফ নজরুল
গাইবান্ধায় পেট্রল না পেয়ে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক আধা ঘণ্টা অবরোধ
নদীতে একের পর এক নামছেন ডুবুরি, পাড়ে উৎসুক জনতার ভিড়
দিল্লি ও করাচিকে ছাড়িয়ে বায়ুদূষণে শীর্ষে আজ ঢাকা, সুরক্ষায় করণীয়গুলো জেনে নিন
এবার তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
Share This Article
Facebook Email Print
মঙ্গলবার, এপ্রি ১৪, ২০২৬

সর্বশেষ

বিক্ষোভে উত্তাল ইরানে ইন্টারনেট বন্ধ, জানাল পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান
জানুয়ারি ৯, ২০২৬
দেশ রক্তাক্ত যুদ্ধে, মাঠে ইরানের মেয়েদের অন্য এক লড়াই
মার্চ ২, ২০২৬
তালিকায় ১২ সিনেমা, শেষ পর্যন্ত কয়টি
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
বাইরে অ্যাম্বুলেন্স, ভেতরে হরর সিনেমা
মার্চ ১২, ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিন আজ
জানুয়ারি ৪, ২০২৬
ভারতের আসামের উপজাতি অঞ্চলে সহিংসতায় ২ জন নিহত
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫
‘হ্যাঁ’ জিতলে খুলবে সংস্কারের পথ, কী কী বদল আসবে
জানুয়ারি ৩০, ২০২৬

Follow US

Find US on Social Medias
FacebookLike
InstagramFollow
YoutubeSubscribe
Popular News
অর্থনীতি

বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে আমানতকারীদের অবস্থান, দাবি আদায়ে এক ঘন্টার আল্টিমেটাম

Dailynarayanganj 24 .com
Dailynarayanganj 24 .com
মার্চ ৫, ২০২৬
ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৫০ মার্কিন সেনা আহত
এখন কি সোনা কেনা লাভজনক
নির্বাচিত হলে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা কল্যাণ নিশ্চিত করা হবে –গোলাম মসীহ্
গোপনে বিয়ে করেছেন টম হল্যান্ড–জেনডায়া, দাবি স্টাইলিস্টের
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24

সম্পাদক : আলমগীর আজিজ ইমন
মোবাইল : ০১৪১০৪৪৮৮৩২
মোবাইল : ০১৯১১৪৭৯৬৩২

ই-মেইল : dailynarayanganj24@gamil.com
ঠিকানা : বঙ্গবন্ধু সড়ক, হাজী মঞ্জিল, ৩য় তলা।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

© ২০২৫ | সকল স্বত্ব ডেইলিনারায়ণগঞ্জ২৪.কম কর্তৃক সংরক্ষিত | উন্নয়নে moonutechsolution.com
Welcome Back!

Sign in to your account

Username or Email Address
Password

Lost your password?