ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে অপরিচিত মুখ আবদুল্লাহ আল আমীন।নবগঠিত রাজনৈতিক দল এনসিপির হয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে । নির্বাচনের মাঠ চষে বেড়ালেও ভোটাদের কাছে সাড়া ফেলতে পারেনি এ প্রার্থী । চার হেভিওয়েট প্রার্থীর কাছে অনেকটাই অসহায় তরুন এ প্রার্থী।
এ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসেন কাসেমী। এর আগেও তিনি এই আসনে জোটের প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁর দলের নির্বাচনী প্রতীক ‘খেজুরগাছ। জামায়াতের সমর্থন পেয়ে মাঠে রয়েছেন নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ্ আল আমিন (শাপলা কলি)। তাঁদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে স্বতন্ত্র ও ভিন্ন দলের প্রার্থী হয়ে মাঠে নেমেছেন বিএনপির সাবেক প্রভাবশালী তিন নেতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টিসহ কয়েকটি দল আসনটিতে প্রার্থী দিয়েছে।
ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব প্রার্থীই জোরালো গণসংযোগ ও প্রচার চালাচ্ছেন। ভোটাররা বলছেন, উন্নয়ন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশ এবং যাঁকে সব সময় পাশে পাওয়া যাবে—এমন প্রার্থীকে তাঁরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চান। তবে নতুন হিসেবে ভোটারা আল আমীনের বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন । তারা বলেন যে চার জন প্রার্থী ফতুল্লা থেকে নির্বাচন করছেন তাদের সাথে প্রতিযোগতা করার মত যোগ্যতা এখনও হয়নি।
মাসদাইর এলাকার চা–দোকানি কামাল উদ্দিন বলেন, ভোটের হাওয়া বইছে। এখানে হেভিওয়েট প্রার্থীদের ভিড়। এখনে আল আমীন কে অনেক ভোটারা চিনেন না তা ছাড়াও এ আসনে মনির হোসেন কাসেমী ও শাহ আলম মোহাম্মদ আলী গিয়াস উদ্দিন রয়েছে সেখানে আল আমনি কে কথা বলার সময় কারো নেই। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটে কে জিতবেন, তা নিয়েই আলোচনা চলে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত থাকা এবং তৃণমূল পর্যায়ে শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তির কারণে গিয়াস উদ্দিন ও মোহাম্মদ শাহ্ আলমের নিজস্ব অনুসারী রয়েছেন। বিএনপির সাধারণ কর্মীদের বড় একটি অংশ জোটের প্রার্থীর তুলনায় তাঁদের প্রতি বেশি আবেগী ও অনুগত, যা জোটের প্রার্থীর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। জামায়াতে ইসলামী কোনো প্রার্থী না দিলেও ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ্ আল আমিন প্রার্থী হিসেবে রয়েছে। তাকে নিয়ে ভোটারদের মাঝে তেমন কোন আলোচনা নেই।

