ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ দরজায় কড়া নাড়ছে জাতীয় নির্বাচন। বাকি আর মাত্র ১০ দিন। কিন্তু শেষ সময়েও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের দমাতে পারেনি। বিদ্রোহীরা দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভেঙে ভোটের মাঠে সরব। নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে অন্তন ৬জন বিদ্রোহী মাঠে রয়েছেন।দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও থেমে নেই তারা। প্রচার প্রচারণায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন।
দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে জোরেশোরে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা। এটি দলটির জন্য খুবই অস্বস্তিকর। ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই দলের মধ্যে টেনশন বাড়ছে—বিদ্রোহীরা না পরে গলার কাঁটা হয়ে ওঠেন। এই ভাবনা থেকেই কঠোর অবস্থান নিয়েছে দলটি।
তৃণমূলে বিদ্রোহীদের জন্য কঠিন বার্তা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে না দাঁড়ালে চিরতরে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। যাঁরা এর পরও দলের সিদ্ধান্ত মানবেন না, তাঁরা কখনোই আর দলে ফিরতে পারবেন না। এমনই হার্ডলাইনে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
তবে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের বিদ্রোহী অনেক প্রার্থীর সঙ্গেই কথা বলে জানা গেছে, তারা নির্বাচনের মাঠ থেকে সরে দাঁড়াবে না । তারা বলেন, বিএনপি যাদের প্রার্থী দিয়েছেন তাদের চেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা এবং ভোট বেশি। তারা সাবেক এমপি ছিলেন তাদের এলাকায় ভোট বেশি আগামী ১২ তারিখ তা প্রমান হয়ে যাবে।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ দুলাল হোসেন। তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় প্রধানের সঙ্গে কথা বলতে চাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। দল যাঁকে প্রার্থী করেছেন, নির্বাচনে প্রার্থী টিকে রাখা নিয়ে সংকট তৈরি হলে আমি প্রতাহ্যার করতে পারিনি। দল চাইলে এখনো আমি ঘোষণা দিয়ে শীষের প্রার্থীর (বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু) পক্ষে কাজ করতে পারি। তবে তা যেন ৫ ফেব্রুয়ারির আগে হয়। সম্মানজনক আশ্বাস পেলে আমি প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়াব।
তবে ৫ তারিখের আগে কে কে নিজ দলের প্রার্থীদের সমথন দিয়ে বসে যান নাকি ১২ তারখি পর্যন্ত টিকে থাকবেন সেটা দেখা এখন সময়ের ব্যাপার।
নারায়ণগঞ্জে বিদ্রোহীতে কঠোর বিএনপি ডেট লাইন ৫ ফেব্রুয়ারি

