‘ইচ্ছা করে’ স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিল পাকিস্তান, রহস্য কী
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ হারারেতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে গতকাল জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছে পাকিস্তান। তবে পাকিস্তান ম্যাচটি এমনভাবে জিতেছে, যেখানে টুর্নামেন্টের নিয়মের ফাঁক গলে হেরে যাওয়া জিম্বাবুয়ে উঠেছে সুপার সিক্সে আর বাদ পড়ে গেছে স্কটল্যান্ড।
পাকিস্তানের সুপার সিক্স আগেই নিশ্চিত ছিল। কাল জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১২৯ রানের লক্ষ্য যদি পাকিস্তান ২৫.২ ওভারের মধ্যে তাড়া করত, তাহলে সুপার সিক্সে যেত স্কটল্যান্ডও। কিন্তু পাকিস্তান এই রান তাড়া করেছে ২৬.২ ওভারে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৪ ওভার শেষে পাকিস্তান ৮৪ রান করে ফেলেছিল। তখন জয়ের জন্য দরকার ছিল (স্কটল্যান্ডের সুপার সিক্সে সমীকরণ অনুযায়ী) ১১.২ ওভারে মাত্র ৪৫ রান। কিন্তু এর পর থেকেই সামির মিনহাস ও আহমেদ হুসেনের ব্যাটিংয়ে আক্রমণাত্মক মনোভাব উধাও হয়ে যায়।
পরের ১২ ওভারে তারা তোলে মাত্র ৩৬ রান, টানা ৮৯ বলে বাউন্ডারি আসেনি। ২৫ ওভার শেষ হতেই সামির ২ ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করে ফেলেন। স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানের লাভটা কী?
পাকিস্তানের লাভ আছে। জিম্বাবুয়েকে সুপার সিক্সে তুলে পাকিস্তান পরের পর্বের জন্য নিজেদের নেট রানরেট সর্বোচ্চ রাখার সুযোগ পেয়েছে।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের নিয়ম অনুসারে গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট ও নেট রানরেট সুপার সিক্সেও যোগ হয়। তবে হিসাব করা হয় শুধু সেই দলগুলোর বিপক্ষে খেলা ম্যাচ, যারা গ্রুপ থেকে পরের পর্বে ওঠে।
পাকিস্তান গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে—দুই দলের বিপক্ষে জিতলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাদের জয়ের ব্যবধানটা বেশ বড়। ম্যাচটি তারা ৯ উইকেট ও ৩৩.৪ ওভারে হাতে রেখে জিতেছিল। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জিতেছে ৬ উইকেট ও ৬.৫ ওভার হাতে রেখে। তাই জিম্বাবুয়েকে সুপার সিক্সে তুলে নিজেদের রানরেটটাকে বাড়িয়ে রেখেছে পাকিস্তানের যুবারা।
ম্যাচে ধারাভাষ্য দেওয়া জিম্বাবুয়ের সাবেক ক্রিকেটার অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার পাকিস্তানের এই ‘চতুর কৌশল’কে সমর্থন করেছেন। ইএসপিএনক্রিকইনফোকে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, এটা তাদের জন্য যৌক্তিক কৌশল ছিল। সুপার সিক্সে পাকিস্তানের নেট রানরেটের হিসাবে এখন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলা ম্যাচটি যোগ হবে, কিন্তু স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি ধরা হবে না। এর ফলে স্কটল্যান্ড উঠলে যা হতো, তার চেয়ে তাদের নেট রানরেট ভালো থাকবে।’
পাকিস্তানের লাভ আছে। জিম্বাবুয়েকে সুপার সিক্সে তুলে পাকিস্তান পরের পর্বের জন্য নিজেদের নেট রানরেট সর্বোচ্চ রাখার সুযোগ পেয়েছে।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের নিয়ম অনুসারে গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট ও নেট রানরেট সুপার সিক্সেও যোগ হয়। তবে হিসাব করা হয় শুধু সেই দলগুলোর বিপক্ষে খেলা ম্যাচ, যারা গ্রুপ থেকে পরের পর্বে ওঠে।
পাকিস্তান গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে—দুই দলের বিপক্ষে জিতলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাদের জয়ের ব্যবধানটা বেশ বড়। ম্যাচটি তারা ৯ উইকেট ও ৩৩.৪ ওভারে হাতে রেখে জিতেছিল। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জিতেছে ৬ উইকেট ও ৬.৫ ওভার হাতে রেখে। তাই জিম্বাবুয়েকে সুপার সিক্সে তুলে নিজেদের রানরেটটাকে বাড়িয়ে রেখেছে পাকিস্তানের যুবারা।
ম্যাচে ধারাভাষ্য দেওয়া জিম্বাবুয়ের সাবেক ক্রিকেটার অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার পাকিস্তানের এই ‘চতুর কৌশল’কে সমর্থন করেছেন। ইএসপিএনক্রিকইনফোকে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, এটা তাদের জন্য যৌক্তিক কৌশল ছিল। সুপার সিক্সে পাকিস্তানের নেট রানরেটের হিসাবে এখন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলা ম্যাচটি যোগ হবে, কিন্তু স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি ধরা হবে না। এর ফলে স্কটল্যান্ড উঠলে যা হতো, তার চেয়ে তাদের নেট রানরেট ভালো থাকবে।’
স্কটল্যান্ডের কোয়ালিফিকেশন হাতছাড়া হওয়ার সময় ধারাভাষ্যে ফ্লাওয়ার বলেন, ‘স্কটল্যান্ডের জন্য এটা দেখা নিশ্চয়ই খুব কষ্টের।’ তবে পরের রাউন্ডে নিজেদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার কৌশল হিসেবে পাকিস্তানের সিদ্ধান্তকে তিনি আবারও সমর্থন করেন। ইএসপিএনক্রিকইনফোকে ফ্লাওয়ার বলেন, ‘আমি মনে করি, এটা ন্যায্য কৌশল ছিল এবং এতে খেলাটার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়নি।’
এর আগে ১৯৯৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও সুপার সিক্স পর্বে পয়েন্ট বহনের সুবিধা নিতে এমন কৌশলের চেষ্টা করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ। ওল্ড ট্রাফোর্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রান তাড়ার সময় তিনি একই ধরনের পরিকল্পনা করেছিলেন।

