By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24
Notification Show More
Font ResizerAa
  • প্রচ্ছদ
  • মহানগর
  • জেলাজুড়ে
    • সদর
    • বন্দর
    • ফতুল্লা
    • সিদ্ধিরগঞ্জ
    • রূপগঞ্জ
    • সোনারগাঁও
    • আড়াইহাজার
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • রাজনীতি
  • সাক্ষাৎকার
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • আন্তর্জাতিক
  • অন্যান্য
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • নারী ও শিশু
    • সাহিত্য
    • তথ্য প্রযুক্তি
Search
Reading: ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা চালানো কেন এত সহজ না
Share
Font ResizerAa
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24
Search
  • প্রচ্ছদ
    • জেলাজুড়ে
  • জাতীয়
  • মহানগর
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • স্বাস্থ্য
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অন্যান্য
    • কৃষি ও খামার
    • চাকুরী
    • নারী ও শিশু
    • আন্তর্জাতিক
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মতামত
    • সাহিত্য
    • তথ্য প্রযুক্তি
Follow US
আন্তর্জাতিক

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা চালানো কেন এত সহজ না

Dailynarayanganj24
Last updated: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬ ৩:৫১ পূর্বাহ্ণ
Dailynarayanganj24
Published: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
Share
SHARE

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ উদারপন্থী নয়, এমন ব্যবস্থাগুলো পতনের ঠিক আগমুহূর্তে প্রায়ই নিজেদের খুব শক্তিশালী ও স্থায়ী হিসেবে উপস্থাপন করে। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থানের সময় ভিন্ন এক বিভ্রান্তিও তৈরি হতে পারে। মনে হতে পারে, বাইরে থেকে বড় ধরনের কোনো মোক্ষম আঘাতেই বুঝি এ ব্যবস্থার পতন ঘটবে। ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে অনেকের কাছেই এমনটা মনে হতে পারে যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার একটি জোরালো ধাক্কাই হয়তো দেশটির বর্তমান শাসনের অবসান ঘটাবে।

Contents
  • আঞ্চলিক রাজনীতি ও ট্রাম্পের সীমাবদ্ধতা
  • হামলার ধরন ও ঝুঁকি

কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন, অর্থাৎ এমন ধারণা থেকে আসলে ইসলামিক রিপাবলিক বা ইরান রাষ্ট্র ঠিক কীভাবে টিকে আছে, সে সম্পর্কে ভুল বার্তা পাওয়া যায়। ইরানের ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো এর অভ্যন্তরীণ কঠোর সংহতি। দেশটির রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠানগুলো সমান্তরালভাবে একে অপরের সঙ্গে কাজ করার ক্ষমতা রাখে। এমনকি যখন তাদের শাসনব্যবস্থার বৈধতা সংকটে পড়ে, তখনো এ প্রতিষ্ঠানগুলোর সংহতি অটুট থাকে। এ অভ্যন্তরীণ শক্তির কারণেই ইরান এমন সব বড় ধাক্কা সামলে নিতে পারে, যা অন্য যেকোনো সাধারণ রাষ্ট্রকে ধসিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

ইরান শুধু কোনো এক ব্যক্তির নেতৃত্বে পরিচালিত পিরামিডসদৃশ রাষ্ট্র নয়। এটি মূলত একটি নেটওয়ার্কভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা। এখানে সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়, রেভোল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি), গোয়েন্দা সংস্থা, ধর্মীয় নেতারা ও একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক বলয়—সবই ক্ষমতার কেন্দ্রে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। এমন একটি ব্যবস্থায় কোনো একটি নির্দিষ্ট অংশকে, এমনকি সেটি যদি প্রতীকীভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণও হয়, সরিয়ে দিলেও পুরো কাঠামোর পতন ঘটে না। কারণ, বিকল্প নেতৃত্ব বা চেইন অব কমান্ড এ শাসনব্যবস্থার একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কৌশলগত ‘সাফল্যের’ পর প্রতিপক্ষের শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দেওয়ার যে আলোচনা সামনে এসেছে, ইরানের ক্ষেত্রে তা সফল কোনো কৌশল নয়, বরং একধরনের চরম বিশৃঙ্খলার জুয়া বলেই মনে হয়।

এ কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উভয়সংকটটি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি একদিকে কট্টর রক্ষণশীলদের চাপে আছেন, যাঁরা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ইরানে সরকার পরিবর্তন চায়। অন্যদিকে রয়েছে তাঁর ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সমর্থকগোষ্ঠী, যারা দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দেওয়া বা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কোনো অভিযানে যাওয়ার ঘোর বিরোধী। তাই ট্রাম্পের সহজাত প্রবৃত্তি হলো, এমন এক ঝটিকা আক্রমণ করা, যা দেখতে খুব শক্তিশালী মনে হবে, কিন্তু কোনো দীর্ঘমেয়াদি দায়বদ্ধতা তৈরি করবে না।

আঞ্চলিক রাজনীতি ও ট্রাম্পের সীমাবদ্ধতা

আঞ্চলিক রাজনীতি ট্রাম্পের বিকল্পগুলো আরও সীমিত করে দিচ্ছে। ইসরায়েল চায় তেহরানের বিরুদ্ধে মূল কঠিন কাজটি ওয়াশিংটনই করুক। অন্যদিকে সৌদি আরব, কাতার এবং ওমানের মতো প্রভাবশালী পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো উত্তেজনা প্রশমন ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থনের অভাব যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে দূরপাল্লার হামলার ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করতে পারে। আর এটি দীর্ঘমেয়াদি বিমান হামলা চালানো আরও কঠিন করে তুলবে।

ট্রাম্প তাঁর নিজের বক্তব্যের মারপ্যাঁচেও একধরনের আটকা পড়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে ইরান যদি ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে’, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাঁদের ‘উদ্ধারে এগিয়ে আসবে’। এর ফলে একদিকে তাঁকে বিশ্বাসযোগ্য সামরিক বিকল্পের ইঙ্গিত দিতে হচ্ছে, আবার অন্যদিকে তিনি কূটনীতিকেই শ্রেয় বলে মনে করছেন এবং ইঙ্গিত দিচ্ছেন, হত্যাকাণ্ড ‘বন্ধ হচ্ছে’। বাস্তবে এ দোদুল্যমানতা কোনো সুচিন্তিত কৌশলগত অস্পষ্টতা নয়, বরং দর–কষাকষি ও সিদ্ধান্তহীনতার বহিঃপ্রকাশ। এতে ট্রাম্পের চারপাশের প্রতিটি পক্ষই এ বিশ্বাস পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে যে দিন শেষে তাদের যুক্তিই জিতবে।

ওয়াশিংটনের অভ্যন্তরীণ মহল প্রকৃতপক্ষে কী চায়, সে বিষয়ে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। তাদের লক্ষ্য, ইরানে উদার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা নয়। তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো, একটি ‘বাস্তববাদী ইরান’ তৈরি করা, যাকে আঞ্চলিক ভূ-অর্থনৈতিক কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করা যাবে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসার পথ খুলে দেওয়া যাবে এবং চীনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থেকে সরিয়ে আনা যাবে। এর অর্থ, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ এবং তথাকথিত ‘প্রতিরোধের অক্ষ’-এর প্রতি ইরানের সমর্থন (তা প্রকৃত হোক বা নামমাত্র) কাটছাঁট করা। এটি মূলত ইরানের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা, দেশটির শাসনব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন নয়।

বিমান হামলা শুধু শাস্তি দেওয়ার বা সতর্কবার্তা পাঠানোর মাধ্যম হতে পারে। এটি নির্দিষ্ট কিছু স্থাপনা ধ্বংস করতে ও বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের রাজনৈতিক মূল্য বাড়িয়ে দিতে পারে। কিন্তু এমন হামলা চালিয়ে কোনো দেশের নিরাপত্তা খাত পুনর্গঠন, ক্ষমতার উত্তরাধিকার নির্ধারণ কিংবা আচরণের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব নয়। এমনকি আকাশ থেকে বিক্ষোভকারীদের রক্ষাও করা যায় না। ২০১১ সালের লিবিয়া এ ক্ষেত্রে এক বড় সতর্কবার্তা। সামরিক শক্তি বড়জোর ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করার একটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ চেষ্টা মাত্র, যার ফল উল্টো হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।

হামলার ধরন ও ঝুঁকি

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য সামরিক পরিস্থিতি হতে পারে সীমিত পরিসরে ‘শাস্তিমূলক’ হামলা। এ ক্ষেত্রে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) সদর দপ্তর বা অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করা হতে পারে। এটি ট্রাম্পের ‘দ্রুত ও পরিচ্ছন্ন’ অভিযানের পছন্দের সঙ্গে মিলে যায় এবং একে সরাসরি যুদ্ধের বদলে ‘শাস্তি’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া যায়। তবে এর কৌশলগত নেতিবাচক দিক হলো, এটি রেভোল্যুশনারি গার্ডের হাতে ‘অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের’ একটি অজুহাত তুলে দেবে, যা দিয়ে তারা আরও কঠোর দমন-পীড়নকে বৈধতা দিতে পারবে। একই সঙ্গে এটি ইরানের পক্ষে তার প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর হামলা, নৌ-চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো এবং পারস্য উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেবে। এ ছাড়া ইরানের অভ্যন্তরীণ বিভক্তি কমানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে এটি। কারণ, প্রতিপক্ষ গোষ্ঠীগুলো তখন জাতীয় সংহতির স্বার্থে একজোট হওয়ার তাগিদ অনুভব করবে।

‘নেতৃত্ব পরিবর্তন’ বা নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং এর ফলে কট্টরপন্থীরা আরও ঐক্যবদ্ধ হতে পারে, যা পরিস্থিতি বেশি জটিল করে তুলবে। এ ধরনের চেষ্টায় একটি নেটওয়ার্কভিত্তিক শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো খুব কঠিন হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি বিমান হামলা সবচেয়ে কম সম্ভাব্য এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি পথ। পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা ঘাঁটি ব্যবহার করার সুবিধা ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পেলে দূরবর্তী প্ল্যাটফর্ম থেকে রসদ সরবরাহ এবং বিমান হামলা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। রাজনৈতিকভাবে এটি ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ (সবার আগে যুক্তরাষ্ট্র) নীতির পরিপন্থী। কৌশলগতভাবে এটি সংকটকে আন্তর্জাতিক রূপ দেবে, যুদ্ধের ময়দানকে বিস্তৃত করবে এবং দুপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার এমন এক চক্র শুরু করবে, যা কেউ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।

তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি সাইবার ও ইলেকট্রনিক প্রতিবন্ধকতা তৈরির পদক্ষেপ নেয়, সেটি ভিন্ন বিষয়। এগুলো তুলনামূলক কম দৃশ্যমান, অনেক ক্ষেত্রে অস্বীকার করা যায় এবং সরাসরি যুদ্ধ এড়ানোর ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোর পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে এর প্রভাব অনিশ্চিত ও সাময়িক হতে পারে। ইরান একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়ায় তারা এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ওঠার পথ খুঁজে নিতে পারে। সবশেষে বলতে হয়, ইরানে মার্কিন হামলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা হলো, সাইবার অভিযান। এ অভিযান অন্যান্য পদক্ষেপের সহযোগী হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে এটি এককভাবে কোনো বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন আনতে পারবে না।

প্রকৃত কথা হলো, কোনো দেশে বাইরের আঘাত সচরাচর ওয়াশিংটনের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল, অর্থাৎ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে বাস্তববাদী পরিবর্তন আনতে পারে না। বাইরের প্রচণ্ড চাপ প্রায়ই কোনো ব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ সংহতিকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। ইরানে পরিবর্তন আনার একমাত্র টেকসই পথ হলো অভ্যন্তরীণ, অর্থাৎ নিরাপত্তা বাহিনী বা অভিজাত শ্রেণির মধ্যে ফাটল তৈরি করা, যা ক্ষমতার ভিন্ন কেন্দ্র তৈরি করবে।

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরান পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে চায়, তবে বড় ধরনের বোমা হামলার বদলে তাদের (ক্ষমতাসীনদের) সংহতি নষ্ট করার কৌশলে মনোনিবেশ করা উচিত। ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে চাপ বজায় রাখা জরুরি। তবে এমন কোনো ‘উদ্ধারে’র প্রতিশ্রুতি দেওয়া ঠিক হবে না, যা যুদ্ধ ছাড়া পূরণ করা সম্ভব নয়। অর্থনৈতিক চাপ এমন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর প্রয়োগ করা উচিত, যাঁরা সহিংসতায় লিপ্ত। পাশাপাশি সেই সব টেকনোক্র্যাট কিংবা বাস্তববাদীদের জন্য পথ খোলা রাখা দরকার, যাঁরা উত্তেজনা প্রশমন ও আলোচনার পক্ষে। সর্বোপরি, এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশ—বিশেষ করে কাতার, ওমান ও সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। কারণ, তারা উত্তেজনা কমাতে ও চাপকে দর–কষাকষির টেবিলে নিয়ে আসতে সক্ষম।

ইসলামিক রিপাবলিক (ইরান) হয়তো এবারের বিক্ষোভ দমন করতে পারবে। তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিন্যাস পরিবর্তন করে নতুন আঙ্গিকে টিকে থাকার চেষ্টাও করতে পারে। কিন্তু ইরানের রাস্তায় যে ক্ষোভ দেখা গেছে, তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়—যদি না নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন ঘটে। আর এর জন্য দেশটিকে একটি বাস্তববাদী শাসনব্যবস্থায় রূপান্তর হওয়া প্রয়োজন।

ইরান ‘বড় বিপদে’ আছে, হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হতে পারে: ট্রাম্প
ইসরায়েলি আগ্রাসন
অগ্নিসংযোগের চেষ্টার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত তরুণ গ্রেপ্তার
রুশ তেল কেনা: ভারতীয় পণ্যে আরোপ করা ২৫% বাড়তি শুল্ক প্রত্যাহার ট্রাম্পের
ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত
Share This Article
Facebook Email Print
সোমবার, ফেব্রু ৯, ২০২৬

সর্বশেষ

মনোনয়ন পেয়ে জাকির খানের বাসায় এড. শাখাওয়াত হোসেন খান
ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
নাসুমের ইতিহাস, ফুরফুরে মুস্তাফিজ
জানুয়ারি ৬, ২০২৬
পবিত্র শবে বরাত আজ
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬
নতুন মূল্যায়ন ও মানবণ্টন ঘিরে প্রাথমিকে অস্থিরতা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিশ্বমঞ্চে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সিনেমা
ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬
আতিফ আসলামের কনসার্টের আয় যাবে জুলাই শহীদ পরিবারে
ডিসেম্বর ৯, ২০২৫
নতুন উচ্চতায় কোহলি, হয়ে গেল ১৬ হাজার রান
ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫

Follow US

Find US on Social Medias
FacebookLike
InstagramFollow
YoutubeSubscribe
Popular News
আন্তর্জাতিক

হত্যা মামলার আসামি, দুদকে অভিযোগ /

Dailynarayanganj24
Dailynarayanganj24
ডিসেম্বর ২০, ২০২৫
নতুন মূল্যায়ন ও মানবণ্টন ঘিরে প্রাথমিকে অস্থিরতা
নির্বাচনের ছুটি সবার জন্য নয়, ছুটি পাবেন না যেসব সরকারি চাকরিজীবী
জয়া, বাঁধন থেকে মেহজাবীন—২০২৫ সালে নজর কাড়লেন কারা
বাণিজ্য মেলা থেকে উদ্ধার তিন শিশু সমাজসেবার হেফাজতে
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ 24

সম্পাদক : আলমগীর আজিজ ইমন
মোবাইল : ০১৪১০৪৪৮৮৩২
মোবাইল : ০১৯১১৪৭৯৬৩২

ই-মেইল : dailynarayanganj24@gamil.com
ঠিকানা : বঙ্গবন্ধু সড়ক, হাজী মঞ্জিল, ৩য় তলা।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

© ২০২৫ | সকল স্বত্ব ডেইলিনারায়ণগঞ্জ২৪.কম কর্তৃক সংরক্ষিত | উন্নয়নে moonutechsolution.com
Welcome Back!

Sign in to your account

Username or Email Address
Password

Lost your password?