ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ পৌষের কনকনে ঠাণ্ডা ও হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত জনজীবন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বেড়েছে শীতজনিত নানা রোগের প্রকোপ। জ্বর, সর্দি-কাশির পাশাপাশি অনেকের মধ্যেই দেখা দিচ্ছে হজমজনিত সমস্যা ও কোল্ড ডায়রিয়া। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতবস্ত্রের পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে শরীরের উষ্ণতা ধরে রাখা সম্ভব এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।
পুষ্টিবিদদের মতে, শীতকালে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার রাখলে শরীর প্রাকৃতিকভাবে গরম থাকে।
মধু:
চিনির বিকল্প হিসেবে মধু শীতে অত্যন্ত উপকারী। এটি শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায় এবং প্রাকৃতিকভাবে তাপ উৎপাদনে সহায়তা করে। সর্দি-কাশি প্রতিরোধেও মধুর কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্য।
বাদাম ও খেজুর:
বাদাম ও খেজুরে ক্যালসিয়াম ও আয়রনসহ নানা খনিজ উপাদান রয়েছে, যা শরীরের উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। বাদাম দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে এবং খেজুর প্রাকৃতিক মিষ্টি হওয়ায় অস্বাস্থ্যকর মিষ্টিজাতীয় খাবারের বিকল্প হিসেবে ভালো কাজ করে।
লাল মাংস:
খাসি ও গরুর মাংস শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে সহায়ক হলেও বিশেষজ্ঞরা পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
স্যুপ ও স্টু:
শীতের সন্ধ্যায় গরম স্যুপ বা স্টু শরীর দ্রুত উষ্ণ করে। এতে হালকা ঝাল যোগ করলে ঠাণ্ডা দূর করতে আরও কার্যকর হয়। পাশাপাশি স্যুপ হজমে সহায়ক ও পুষ্টিকর।
ডিম:
ডিম একটি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাদ্য, যা শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন এ, বি-কমপ্লেক্স, ডি, ই ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান।
বিশেষজ্ঞরা জানান, শীতকালে নিয়মিত এসব খাবার গ্রহণের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে শীতজনিত অসুস্থতা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

