ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ প্রয়াত স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পর এবার তার-ই সহধর্মিণী বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার নামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরো একটি অঙ্গরাজ্যের সড়কের নামকরণের প্রস্তাব অনুমোদন করলো জনপ্রতিনিধিরা।
মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হেমট্রামিক সিটির অতি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত কারপেন্টার স্ট্রিট নামে থাকা সড়কটি দ্রুত সময়ের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার নামে পরিচিতি লাভ করবে। যে সড়কটি বাংলাদেশের সদ্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর নাম দিয়ে মিনি সাইন লাগানো হবে।
বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা সহ বেশ কিছু দিক সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরে তার নামে একটি সড়কের নামকরণের অনুরোধ ও প্রস্তাব উত্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট সিটির নব-নির্বাচিত প্রো-মটেম কাউন্সিলম্যান কামরুল হাসান। একই সময় অপর দু’জন কাউন্সিলম্যান যথাক্রমে নাঈম লিয়ন চৌধুরী ও মুহতাসিন সাদমান সস্বপক্ষে জড়ালো বক্তব্য প্রদান করেন। এ নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষে আলোচনার পর সর্বোচ্চ মতামতে গত মঙ্গলবার (১/৬/২০২৬ইং) হেমট্রামিক সিটি কাউন্সিল কতৃপক্ষ তা অনুমোদন করেন।
এদিকে এমন খবর তাতক্ষনিক মিশিগানের সর্বত্র চাউর হলে বিভিন্ন সিটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে যেমন আলোচনার জন্ম দেয়, তেমনি বিএনপি ও তার সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভান্যুধ্যায়ীরা আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন।
বাংলাদেশী জনপ্রতিনিধিদের প্রাধান্য প্রাধান্য বিস্তারে থাকা হেমট্রামিক সিটি কাউন্সিলের এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণকে বাংলাদেশী কমিউনিটি ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন।
বিএনপি নেতা-কর্মীরা ছাড়াও নানান রাজনৈতিক চেতনায় বিশ্বাসী অনেক প্রবাসী একে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকার পরিচিতি আরো বৃদ্ধি পাবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন।
ওই সিটির জসকম্পো ও কনান্ট স্ট্রিটের মাঝামাঝি অংশের এই স্থানটি বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরনের অনুমোদন গৃহিত হওয়ার পেছনে বাংলাদেশী কয়েক জনপ্রতিনিধি ও কমিউনিটির একাধিক ব্যক্তিবর্গের চেষ্টা মূলত প্রভাবান্বিত করেছে।
শুধু তাই নয়, এমন আলোচিত প্রস্তাব অনুমোদনে সহায়তা অর্থাৎ সমর্থন ছিল একই সিটি কাউন্সিলে থাকা ইয়েমেনী বংশোভূত জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আন্তরিক ইচ্ছের প্রতিফলন।
উল্লেখ্য, ওই সিটিতে বর্তমানে একজন কাউন্সিলম্যান (প্রোটেম) সহ চার বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কাউন্সিলম্যান নাগরিকদের ভোটে দায়িত্ব পালন করছেন। যা সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলে সর্বোচ্চ সংখ্যাক।
বলাবাহুল্য, তার আগেও যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের একটি সড়কের নামকরণ হয়েছিল বাংলাদেশের প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে।
এবার বেগম খালেদা জিয়ার নামে একই ভাবে মিশিগানের একটি সড়কের নামকরনের প্রস্তাব অনুমোদন হওয়াটাকে অনেকেই স্বামী-স্ত্রী’র এক ঐতিহাসিক যুগল বিজয় বলে মন্তব্য করে বেশ আলোচনার ঝড় তুলেছেন।

