ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরে বড় ধরনের সফরে বের হচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া চার দিনের এই সফরে তিনি উত্তরবঙ্গের ৯টি জেলা প্রদক্ষিণ করবেন।
জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদ আবু সাঈদ থেকে শুরু করে নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার ও মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর স্মৃতিধন্য জনপদে এটিই হবে তারেক রহমানের প্রথম সরাসরি গণসংযোগ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এই সফর কোনো নির্বাচনী কর্মসূচি নয়। বরং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং জুলাই–আগস্ট বিপ্লবের শহীদ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোই এ সফরের মূল উদ্দেশ্য।
চার দিনের সফরসূচি
প্রথম দিন (১১ জানুয়ারি):
ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারেক রহমান। পরে বগুড়ায় রাত্রিযাপন করবেন। এদিন টাঙ্গাইলে তিনি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন।
দ্বিতীয় দিন (১২ জানুয়ারি):
বগুড়া থেকে রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও সফর করবেন তিনি। রংপুরে জুলাই বিপ্লবের অন্যতম আইকন শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত এবং তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর দিনাজপুরে নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদারের কবর জিয়ারত করবেন।
তৃতীয় দিন (১৩ জানুয়ারি):
পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় সাংগঠনিক বৈঠক ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নেবেন।
চতুর্থ দিন (১৪ জানুয়ারি):
রংপুর ও বগুড়ায় সমাপনী কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তারেক রহমান।
নিরাপত্তা ও আচরণবিধি
তারেক রহমানের সফর ঘিরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সহায়তা চেয়েছে বিএনপি। দলটির চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার-এর সই করা একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপি জানিয়েছে, সফরকালে নির্বাচনী আচরণবিধি যাতে কোনোভাবেই লঙ্ঘিত না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজর রাখা হবে।
এ সফর প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া যেমন সারা জীবন গণতন্ত্রের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন, তারেক রহমানও সেই পথেই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন।’

