ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি শিমুল দাস ও সাধারণ সম্পাদক কিশোর লাল সহ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টায় চাষাড়া শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ করা হয়েছে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের সভাপতি শিমুল দাস, সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ শাহীন ও সিটি করপোরেশন ওয়ার্কাস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কিশোর লাল, সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন দাস ও নারী নেত্রী পারুল রাণী প্রমুখ।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের বিরোধী কতিপয় ব্যক্তি মিথ্যে অপবাদ দিয়ে তাদের সুনাম ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। ইউনিয়নের নেতাদের বিরোধীতা করতে গিয়ে তারা পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের স্বার্থবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের এই অপকর্মের নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দ সব সময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সংকট সমস্যা সমাধানে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে থাকে। বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত নাসিক ওয়ার্কাস ইউনিয়ন নেতাদের নীতিনিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা নানান রকম মিথ্যে অপবাদ ছড়িয়েছে। অসত্য তথ্য দিয়ে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে বিভ্রান্ত করেছে। নাসিক ওয়ার্কাস ইউনিয়নের সভাপতি শিমুল দাস ও সাধারণ সম্পাদক কিশোর লাল’কে টাকা না দিলে নাসিক কর্তৃক নির্মিত আবাসনে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা উঠতে পারছে না। এসব অবান্তর কথাবার্তা। আমরা পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা যেই টাকা আয় করি সেই টাকা দিয়ে দিয়ে পরিবার নিয়ে চলা যায় না। সেখানে কাওকে লাখ টাকা দেয়ার বক্তব্য বাস্তবসম্মত নয়। আবাসন বরাদ্দ দেয়া না দেয়ার এখতিয়ার একমাত্র নাসিক কর্তৃপক্ষের। এই বিষয়ে ইউনিয়ন নেতাদের কিছু করার সুযোগ নেই।
সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্মিত পরিচ্ছন্নকর্মী কলোনীগুলো এখনও পুরোপুরি কমপ্লিট হয়নি। ফলে পিলখানা কলোনিতে ১০৮ টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ৫৪ টিতে লোক উঠতে পেরেছে এবং পাইকপাড়া কলোনিতে ২৫০ ফ্ল্যাটের মধ্যে ১৫০ টিতে লোক উঠেছে। অবশিষ্ট ফ্ল্যাট গুলোতে পর্যায়ক্রমে অন্যরা উঠবে। আবাসন পাওয়া না পাওয়ার ক্ষেত্রে কোন অনিয়ম বা কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেয়ার হয়নি। ইউনিয়নের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সকল সদস্যের কাছে থেকে মাসে ১০ টাকা করে চাঁদা নেয়া হয়। ইউনিয়ন নির্বাচনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। বিগত দেড় বছর দেশে অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজমান থাকায় ইউনিয়নের নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী দ্রুতই ইউনিয়নের নির্বাচন দিয়ে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে জানান নেতৃবৃন্দ।

