ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ হার না নামা এক সন্তান আবুল কাউসার আশা।দাদা বাংলাদের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ শহর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন(জালাল হাজ্বী)। পিতা এড. আবুল কালাম নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে ১৯৯১,১৯৯৬,ও২০০১ সালের জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
জালাল হাজী পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম এডভোকেট আবুল কালামের একমাত্র পুত্র আবুল কাউসার আশাও বাপ-দাদার পথ ধরে ছোটবেলা থেকেই রাজনীতিকে পথ চলতে শুরু করেন। ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক, নারায়ণগঞ্জ কলেজের ভিপি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। সাবেক সাংসদের নাতি ও পুত্র হিসেবে যে ভূমিকা আবুল কাউসার আশা যে ভুমিকা রেখেছেন বাবা মনোনয়নের ক্ষেতে সেটা এখন নারায়ণগঞ্জে তুমুল আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে। সকলের মুখে এখন আবুল কাউসার আশার কথা হচ্ছে। নেতাকর্মীদের আবুল কাউসার আশার পরিশ্রমের সফল পেয়েছে । নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির নানা নাটকিয়তার পরে মনোনয়ন পান সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবুল কালাম আর এ মনোনয়নের পেছেনে সব চেয়ে বড় অবদান আবুল কাউসার আশার।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল মডেল গ্রুপের মালিক মাসুদুজ্জামান মাসুদকে এ মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করে রাজপথে সক্রিয় ভাবে নামনে মনোনয়ন চাওয়া বাকী প্রার্থীরা তাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করেছেন আবুল কাউসার আশা। দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে সক্রিয় ভাবে মাঠে থেকে নেতাকর্মীদের র্ধ্যয ধরার আহ্বান জানিয়ে বলতেন, দল এখনো কোন চুড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেনি তাই আপনার নিরাস হবে না। রাজপথ কখনো বেঈমানি করে না। তার কথাই সত্য প্রমানিত হলো রাজপথে সক্রিয় একজন নেতা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন।
কদমরসুল দরগাহ জিয়ারত শেষে এড. আবুল কালাম তার একমাত্র সন্তান আবুল কাউসার আশার কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।সে সময় সবাই স্লোগান দিতে থাকেন যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান আবুল কাউসার আশা ।

