ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মাসুদুজ্জামান কে পর্রিবতন করে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড.শাখাওয়াত হোসেন খানকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়াতে অনেকটাই নাখোশ হয়েছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু।এড. শাখাওয়াত হোসেন খান কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর পোষ্ট ভাইরাল।
তিনি আর ফেইসবুক পেইজে একটি পোষ্ট করেছেন সেটা হুবহুব দেওয়া হলোঃ ইনসাফের মায়ের মৃত্যু হয়েছে? যেখানে ইনসাফ নেই, সেখানে বলার কিছুই থাকে না। যে কোন স্থানে একজনই সব কিছু বার,বার পাবে, আর অন্যরা আঙ্গুল চুসবে। মেয়র প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল, এমপি প্রার্থীও দেওয়া হয়েছে, ভবিষৎতে মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হলেও তা ভুল হবে না? ত্যাগ ও যোগ্যতা একজনেরই, বাকী সব কুলুর বলদ। গাধার মত খাটবে একজন, আর ফলাফল দেওয়া হবে আরেকজনকে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. শাখাওয়াত হোসেন খান মিশন পাড়া হোসিয়ারি সমিতিতে মহানগর বিএনপির্ সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর সাথে দেখা করতে যান সে সময় নেতাকর্মীরা শাখাওয়াত টিপু দুই ভাই ধানের শীষে ভোট চাই স্লোগান দিতে থাকেন ।
তার কিছু্ক্ষন পর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিবের এমন পোষ্টে পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে এড.শাখাওয়াত হোসেন খান কে দেওয়া মনোনয়ন মেনে নিতে পারেনি এ নেতা। তাই নতুন করে মহানগর বিএনপির কোন্দল শুরু হচ্ছে বলে মনে করছেন তৃনমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ।
উল্লেখ্য গত (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়ে সরে দাড়াঁলেন মাসুদুজ্জামান মাসুদ।মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. শাখাওয়াত হোসেন খান।
তিনি বলেন, গত ৫-৬ মাসে আমি অনেক জায়গাতে গিয়েছি। সেখানে সকলের সাড়া পেয়েছি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণ ও কিছু পারিপার্শ্বিক কারণে আমাকে এ কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। আমি সকল নেতাকর্মী ও সদর বন্দরবাসীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
মাসুদ বলেন, আমি নির্বাচন করবো না। আমি মনোনয়ন কিনবে না। এজন্য আমি সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।সবার আগে পরিবার ও নিরাপত্তা। আমার পরিবার আমার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিগত কিছুদিনের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা ব্যথিত। এছাড়া কিছু নিরাপত্তাজনিত ইস্যু আছে। এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলীয় সিদ্ধান্ত না।
তিন দিন পরে পুনরায় নির্বাচন করার ইচ্ছে পোষন করলে প্রাথমিক তালিকা থেকে বাদ পড়ে যান মাসুসুজ্জমানা।চুড়ান্ত প্রার্থী দেওয়া হয়

