ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মনোনয়ন নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে গুঞ্জন কে পাচ্ছেন বিএনপির চুড়ান্ত মনোনয়ন। গত কাল রাত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে আজ সকাল থেকে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসেনর মনোনয়ন । নারায়ণগঞ্জের টক অফ দ্যা টাউন এখন মাসুদুজ্জামান নাকি শাখাওয়াত হোসেন খান।
জানাযায়, বিএনপির হাই কমান্ডের নিদেশে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. শাখাওয়াত হোসেন খান আজ (২০ ডিসেম্বর) সকালে গুলশান বিএনপির কাযার্লয়ের যান। এর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা বেড়ে যায়, তাহলে কি এড. শাখাওয়াত হোসেন খানের হাতেই উঠছে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মনোনয়ন।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. শাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, চুড়ান্ত সিধান্ত সবাইকে জানানো হবে। তিনি সাবইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলায় নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের পরিবারের পক্ষে আইনি লড়াই করে তিনি দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন তিনি ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি প্রাথী ছিলেন।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসেন বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়া মাসুদুজ্জামান জানান, অফিসিয়াল কোন সিধান্ত ছাড়া তার নেতাকমীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য গত (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদুজ্জামন নির্বাচন থেকে সরে দাড়াঁনোর ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, আমি নির্বাচন করবো না। আমি মনোনয়ন কিনবে না। এজন্য আমি সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।সবার আগে পরিবার ও নিরাপত্তা। আমার পরিবার আমার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিগত কিছুদিনের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা ব্যথিত। এছাড়া কিছু নিরাপত্তাজনিত ইস্যু আছে। এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলীয় সিদ্ধান্ত না।
মাসুদ বলেন, গত ৫-৬ মাসে আমি অনেক জায়গাতে গিয়েছি। সেখানে সকলের সাড়া পেয়েছি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণ ও কিছু পারিপার্শ্বিক কারণে আমাকে এ কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। আমি সকল নেতাকর্মীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
পরবর্তীতে নেতাকর্মীদের চাপে পুনরায় তার সিধান্ত পরিবতন করে নিবার্চনে থাকার ঘোষনা দেন ।

