ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদুজ্জামন নির্বাচন থেকে সরে দাড়াঁনোর পর থেকে নতুন করে নারায়ণগঞ্জে রাজনীতি আলোচনা শুরু হয়েছে। কে পাবেন মনোনয়ন, কার হতে উঠবে ধানের শীষ ।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসেন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশির তালিকায় আছেন অ্যাডভোকেট আবুল কালাম নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসন থেকে ১৯৯১, ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। জুন ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে অংশ নিয়ে তিনি পরাজিত হন।
মহানগর বিএনপির অন্যতম নেতা আবু জাফর আহমেদ বাবুল বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি, সমাজসেবক এবং রাজনীতিবিদ । তিনি শিল্পগোষ্ঠী প্রাইম গ্রুপ অব কোম্পানিজ-এর চেয়ারম্যান ।
অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী। বর্তমানে তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন
তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলায় নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের পরিবারের পক্ষে আইনি লড়াই করে তিনি দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন তিনি ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসেন মানোয়ন পাওয়ার দিক থেকে রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচিত নাম সাবেক সংসদ সদস্য এড. আবুল কালাম অথবা বিশিষ্ট শিল্পপতি আবু জাফর আহদেম বাবুল । এ দুইজনের এক জন হতে পারে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির কান্ডারি বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহল।
গত (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাসুদুজ্জামন নির্বাচন থেকে সরে দাড়াঁনোর ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, আমি নির্বাচন করবো না। আমি মনোনয়ন কিনবে না। এজন্য আমি সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।সবার আগে পরিবার ও নিরাপত্তা। আমার পরিবার আমার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিগত কিছুদিনের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা ব্যথিত। এছাড়া কিছু নিরাপত্তাজনিত ইস্যু আছে। এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলীয় সিদ্ধান্ত না।
মাসুদ বলেন, গত ৫-৬ মাসে আমি অনেক জায়গাতে গিয়েছি। সেখানে সকলের সাড়া পেয়েছি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণ ও কিছু পারিপার্শ্বিক কারণে আমাকে এ কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। আমি সকল নেতাকর্মীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

