ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ শীত এলেই সর্দি-কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা ব্যথা ও জ্বরের মতো উপসর্গে ভোগেন অনেক মানুষ। চিকিৎসকদের মতে, শীতকালে এসব সমস্যা বেড়ে যাওয়ার পেছনে রয়েছে আবহাওয়ার পরিবর্তন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি।
শীত এলেই সর্দি-কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা ব্যথা ও জ্বরের মতো উপসর্গে ভোগেন অনেক মানুষ। চিকিৎসকদের মতে, শীতকালে এসব সমস্যা বেড়ে যাওয়ার পেছনে রয়েছে আবহাওয়ার পরিবর্তন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি।
এ ছাড়া হঠাৎ গরম থেকে ঠান্ডা পরিবেশে যাতায়াত, পর্যাপ্ত পানি না পান করা এবং ঠান্ডা খাবার গ্রহণের প্রবণতাও সর্দি-কাশির ঝুঁকি বাড়ায়।
সাধারণ উপসর্গ
শীতকালীন সর্দি-কাশির প্রধান লক্ষণগুলো হলো—
নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে পানি পড়া
শুকনো বা কফযুক্ত কাশি
গলা ব্যথা বা খুসখুসে অনুভূতি
হালকা জ্বর ও শরীর ব্যথা
দুর্বলতা ও মাথাব্যথা
সাধারণত ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশি ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়।
কারা বেশি ঝুঁকিতে
সাধারণ উপসর্গ
শীতকালীন সর্দি-কাশির প্রধান লক্ষণগুলো হলো—
নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে পানি পড়া
শুকনো বা কফযুক্ত কাশি
গলা ব্যথা বা খুসখুসে অনুভূতি
হালকা জ্বর ও শরীর ব্যথা
দুর্বলতা ও মাথাব্যথা
সাধারণত ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশি ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়।
কারা বেশি ঝুঁকিতে
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন
সাধারণ সর্দি-কাশি কয়েক দিনের মধ্যে না কমলে, অথবা—
জ্বর ৩ দিনের বেশি থাকলে
শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে
শিশু বা বয়স্কদের ক্ষেত্রে উপসর্গ বেড়ে গেলে
তখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
চিকিৎসকরা মনে করিয়ে দেন, শীতকালীন সর্দি-কাশি সাধারণ হলেও অবহেলা করলে জটিলতা বাড়তে পারে। তাই সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা ও সময়মতো চিকিৎসাই পারে শীতকালকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে।

