ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ আসন্ন জাতীয় সাংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সময় ফুরিয়ে আসছে। যে কোন সময় ভেঙ্গে দেওয়া হতে পারে মহানগর বিএনপির কমিটি।
এদিকে বিগত আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপির হেভিওয়েট একাধিক নেতাকর্মীরা বিভিন্নকাণ্ডে দল থেকে বহিস্কার হলে ও দলের সু-সময়ে এবার সকল বিভক্তি ভূলে সেই নেতাকর্মীদের বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার করে দলে বেড়াচ্ছেন বিএনপির হাইকমান্ড।
যারা বিগত দিনে কেউ কেউ ছিলেন মহানগরের দায়িত্বে আবার কেউ কেউ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ছিলেন। বর্তমানেও মহানগর বিএনপির দায়িত্ব পালন করার জন্য তাদের নানা শক্তি রয়েছে। যাকে ঘিরে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছে যে কে হবে মহানগর বিএনপির আগামীর কাণ্ডারী। বর্তমানে মহানগর বিএনপির দায়িত্বে থাকা আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু দলীয় আন্দোলন সংগ্রামে রাপজথে ভূমিকা পালন করলে ও তাদের বিরোধীতা হিসেবে ছিলেন সেই ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির ১৫ জন নেতা।
এদিকে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ৩ বছর সময় পাড় করলে ও এখনো নিজেদের কমিটি পূণাঙ্গ করতে পারেনি। তা ছাড়া সংগঠনটিতে রয়েছে বিভক্তি আর বিভক্তি। বর্তমানে মনোনয়ন ইস্যুতে মহানগর বিএনপির দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পরেছেন। সেই বিভক্ত অবস্থায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ টিএম কালাম, বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান মুকুল, সদস্য শওকত হাসেম শকুকে বিভিন্ন বিতর্কে দল থেকে বেড় করলে ও তাদের আবার ও বহাল করেছে বিএনপি। যাকে ঘিরে মহানগরীর রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নয়া সমীকরণ। এদিকে বর্তমানে পুরো দমে মাঠে নেমেছেন এটি এম কামাল, আতাইর রহমান মুকুল,শওকত হাসেম শকু, মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ ।
গত ২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মহানগর বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এর পর থেকেই বিএনপির নানা দলীয় কর্মকাণ্ড শুরু হয়। তা ছাড়া সে সময় থেকেই কঠোর আন্দোলনের দিকে যায় বিএনপি। এমতা অবস্থায় মহানগর বিএনপির বর্তমান দায়িত্বরতরা মাঠে থাকলে ও মহানগর বিএনপির এই সাবেক নেতারা নানাভাবে বিএনপির হয়ে অন্তরালে আবার কেউ প্রকাশে কাজ করেছেন। এদিকে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে শিল্পপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদকে। এদিকে দলের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত হিসেবে বুকে ধারণ করে মহানগর বিএনপির এই সাবেক নেতারা মাসুদুজ্জামানের পক্ষে কাজ লেগে পরেন।
তা ছাড়া মাসুদুজ্জামানের পাশে নেই মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান্ তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি মাসুদুজ্জামানের পক্ষে এখনো আসেনি চূড়ান্ত ঘোষণার অপক্ষোয় রয়েছে। তা ছাড়া মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু নানাভাবে নাটকীয়তা করে সর্বশেষ মাসুদুজ্জামানের সাথে একত্মতা প্রকাশে ব্যাপক সমালোচনা উঠছে মহানগর জুড়ে। এদিকে মহানগর বিএনপির দীর্ঘদিনের কমিটিতে বিভিক্ত ও কোন প্রকারের আপডেট না থাকায় নয়া কমিটির দিকে যেতে চাইছে দলীয় হাইকমান্ড। ইতিমধ্যে নির্বাচনের আগে বা পরে যে কোন সময় হতে পারে কমিটি। যেখানে বর্তমানে আলোচনা যারা রয়েছে তারা হলেন। মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটি.এম কালাম, আতাউর রহমান মুকুল, মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, শওকত হাসেম শকু, মনিরুল ইসলাম সজল।

