ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো ৪ ট্রিলিয়ন ডলার বাজারমূল্যের মাইলফলক স্পর্শ করল অ্যাপল এবং দ্বিতীয়বারের মতো ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাল মাইক্রোসফট। মঙ্গলবার অ্যাপল ও মাইক্রোসফটের শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে মার্কিন দুই প্রযুক্তি জায়ান্টেরই বাজারমূল্য ৪ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। এর আগে, গত জুলাইয়ে প্রথমবারের মতো ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছিল মার্কিন সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফট। তবে এবারই প্রথম এ মাইলফলক স্পর্শ করল আইফোন নির্মাতা। এ আর্থিক সাফল্য প্রযুক্তি সেক্টরের কোম্পানিগুলোর জন্য ঐতিহাসিক এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাজারমূল্যে কোম্পানি দুটি এখনও মার্কিন চিপ নির্মাতা এনভিডিয়া’র পেছনে রয়েছে। কারণ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানি এনভিডিয়া, যার বাজারমূল্য ৪.৬ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
মঙ্গলবার অ্যাপলের শেয়ার মূল্য মাত্র ০.১ শতাংশ বেড়েছে। তবে বিপুল পরিমাণে বিক্রি হওয়া আইফোন ১৭ কোম্পানিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে চীনে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো বিক্রি এই উত্থানের মূল কারণ বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। নর্থলাইট অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের চিফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসার ক্রিস জাকারেলি বলেন, অ্যাপলের সাম্প্রতিক উত্থান দেখাচ্ছে, এআই–এর দৌড়ে পিছিয়ে থাকলেও, শুধু আইফোনই এখনো ভোক্তা এবং ওয়াল স্ট্রিট—দুই পক্ষকেই খুশি রাখতে যথেষ্ট। তবু, এ বছর পর্যন্ত অ্যাপলের শেয়ার মাত্র ৭ শতাংশ বেড়েছে—যা ২০২৪ সালের ৩০.৭ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় কম এবং সামগ্রিক বাজারের ১৭ শতাংশ বৃদ্ধির থেকেও কম। অ্যাপলের শেয়ারগুলো এই বছরের শুরুতে চীনে কঠিন প্রতিযোগিতার উদ্বেগ এবং তার প্রধান উত্পাদন কেন্দ্র চীন এবং ভারতের মতো এশিয়ান অর্থনীতিতে কীভাবে কোম্পানি উচ্চ মার্কিন শুল্ক নেভিগেট করবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তার জন্য লড়াই করেছিল।
অ্যাপল প্রথম ২০১৮ সালের আগস্টে ১ ট্রিলিয়ন ডলার, ২০২০ সালের আগস্টে ২ ট্রিলিয়ন, আর ২০২২ সালের জানুয়ারিতে ৩ ট্রিলিয়ন ডলার বাজারমূল্য অর্জন করে। তবে স্থায়ীভাবে এই স্তরে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত।ওয়াল স্ট্রিট এমন প্রযুক্তি থেকে লাভ তুলতে উদগ্রীব, যা অনেক বিশেষজ্ঞের মতে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেটের মতোই ভিত্তিগত পরিবর্তন আনতে পারে। এআই এখন অফিসের কাজ থেকে স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষাক্ষেত্র পর্যন্ত সর্বত্র আরও বড় ভূমিকা নিচ্ছে।
সূত্র : দা হিন্দু

