ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ শীতের দিনে ঠান্ডা আবহাওয়া এবং কম সূর্যের আলো মানুষের শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের সকালে বা বিকেলে রোদ পোহানো শরীরের জন্য অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর।
রোদ পোহানোর উপকারিতা:
ভিটামিন ডি উৎপাদন: সূর্যের আলো শরীরে ভিটামিন ডি উৎপাদন করতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি হাড় ও দাঁতকে শক্ত রাখে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমায়।
মানসিক স্বস্তি ও সতেজতা: শীতের দিনে রোদে কিছু সময় কাটানো মানসিক চাপ কমায়, বিষণ্ণতা হ্রাস করে এবং মনকে সতেজ রাখে।রক্ত সঞ্চালন ও শরীরের উষ্ণতা বৃদ্ধি: রোদে সময় কাটালে শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, ঠান্ডা কম লাগে এবং শরীর উষ্ণ থাকে।
ত্বকের জন্য সহায়ক: হালকা রোদ ত্বকের জন্য উপকারী, তবে অতিরিক্ত রোদ এড়িয়ে চলা উচিৎ।
চিকিৎসকরা সাধারণত দিনে ১০–২০ মিনিট হালকা রোদে থাকা যথেষ্ট বলে মনে করেন। সকাল বা বিকেলের হালকা রোদ শরীরের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ এবং উপকারী।
তবে চোখ সুরক্ষার জন্য রোদে চশমা ব্যবহার করা উচিৎ। খুব দীর্ঘ সময় বা দুপুরের অতিরিক্ত রোদে থাকা এড়িয়ে চলুন। শীতের দিনে হালকা রোদ নিলেই তা যথেষ্ট।
বিশেষজ্ঞরা মনে করান, শীতের সকালে বা বিকেলে নিয়মিত রোদ পোহানো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মানসিক সতেজতা বৃদ্ধি করে এবং হাড় ও মাংসপেশিকে সুস্থ রাখে। তাই শীতকালকে উপভোগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবান থাকার একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

