ডেইলি নারায়ণগঞ্এজ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ ডটকমঃ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাতকারে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যোগ্যতার প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ’প্রার্থী তাকেই করা হবে যার সকল দলমতের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, যিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে সকল সমস্যা চিহ্নিত করবেন এবং সমাধান করতে পারবেন, সকল দলমতকে কাছে টানতে পারবেন।’ এই বক্তব্যের প্রতিত্তুরে সাংবাদিক যখন পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন তাহলে তো রাজপথের তৃণমুলের নেতাকর্মীরা বঞ্চিত হয়ে যায়, তখন তারেক রহমান বলেছেন, সকলকে মনে রাখতে হবে এটা দলের নেতৃত্ব নির্বাচিত করছিনা, প্রার্থী নির্বাচিত করছি।’
কিন্তু নারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের নেতাকর্মীদের প্রশ্ন এই আসনে কি তারেক রহমানের বক্তব্যের বাস্তব কোনো প্রতিফলন ঘটেছে? ৭জন যোগ্য মনোনয়ন প্রত্যাশিকে বাদ দিয়ে একজন অশিক্ষিত ব্যক্তিকে মনোনিত করা হলো কেন? যে ব্যক্তি ঠিকমত কথাই বলতে পারে না। কথা বলার সময় বুঝা যায় প্রতিবন্ধির মত। যার বক্তব্যের প্রক্সি দেন তার পাশে থাকা বিএনপির অন্যান্য নেতারা। বক্তব্যের সময় তাকে বাকপ্রতিবন্ধির মত বক্তৃতা মানুষ শুনতেও বিরক্ত হোন, বিব্রত হোন।
মান্নান বক্তব্যে কি বলেন, না বলেন সেটাও মানুষ বুঝতে পারেন না। এই ব্যক্তি এমপি হয়ে জাতীয় সংসদকে অমানিতই করবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। মান্নান এখানে এমপি নির্বাচিত হলে এই আসনটি হয়ে যাবে বাপ-পুত,মান্নান-সজীব ও পিএস সেলিম হোসেন দিপুর আসন। তিনটাই অশিক্ষিত বর্বর গণ্ড মুর্খ। আন্দোলন সংগ্রামে ভুমিকা রাখা ছাড়া মান্নানের আর কোনো যোগ্যতা নাই, বরং বাকি সব অযোগ্যতা। তার মধ্যে পুত্র সজীব একটা বেয়াদবের কারখানা।
এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশিদের মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক তিনবারের এমপি ও প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি প্রিন্সিপাল মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহামুদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও যুবদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এসএম ওয়ালিউর রহমান আপেল, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল, দেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু জাফর ও সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শিল্পপতি আল মুজাহিদ মল্লিক।
এত্তসব জ্ঞানী গুণী শিক্ষিত মার্জিত প্রার্থীদের বাদ দিয়ে সোনারগাঁও ও সিদ্ধিরগঞ্জবাসীর উপর এক অখাদ্য কুখাদ্যকে চাপিয়ে দিয়েছেন তারেক রহমান। যে কারনে এটা সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জবাসীর জন্য অভিশপ্ত ঘটনা বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মান্নানের বক্তব্য শুনে হতাশ হচ্ছেন সাধারণ মানুষ ও জনগণ। ভোটারদের আকৃষ্ট করার মত কোনো বক্তব্যই রাখতে পারছেন না আনকোড়া অনাড়ি অশিক্ষিত মান্নান। উল্টো মানুষের মাঝে তার কথাবার্তা বক্তৃতা হাসির খোরাকে পরিনত হয়েছে। যে কারনে তাকে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকায় রাখা হলে রেজাউল করিম ও গিয়াসউদ্দীনকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাপ সৃষ্টি করছেন দুটি থানা/উপজেলার মানুষ ও সুশীল সমাজের লোকজন।

