ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আওতাধীন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির আওতার ১০টি ওয়ার্ডেও বিএনপির রাজনীতিতে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে ঘাটি করেছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনিত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান। ৩ নভেম্বর এই আসনে মান্নানকে বিএনপির মনোনিত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।
প্রার্থী ঘোষণার আগে থেকেই স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল, কৃষকদল, মহিলা দল, ছাত্রদলের সিংহভাগ নেতাকর্মীরা মান্নানের মনোনয়নের দাবিতে মাঠে নেমে যান। মনোনিত হওয়ার পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। হাতে গোনা দুচারজন নেতা ব্যক্তির রাজনীতিতে বিশ্বাসী তারা এখনো ধানের শীষের পক্ষে না আসলেও সিদ্ধিরগঞ্জ বিএনপিত বিরাট ঘাটি গড়তে সক্ষম হয়েছেন মান্নান।
২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে সোনারগাঁও উপজেলা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন গঠিত হয়েছিল। কিন্তু ২০১৪, ২০১৮, ২০২৪ সালের নির্বাচনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাকে ফতুল্লা থানার সঙ্গে যুক্ত করে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচন হয়। বিগত ওই তিনটি নির্বাচন আবার সোনারগাঁও উপজেলাকে নিয়ে একক আসন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন বহাল থাকে। মাত্র দুইমাস পূর্বে সিদ্ধিরগঞ্জকে সোনারগাঁও উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।
শুরুতেই মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মমিনুর রহমান বাবুর নেতৃত্বে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিপন সরকার ও সদস্য সচিব রেদোয়ান রহমান পাপ্পু স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে মান্নানের পক্ষে মনোনয়ন দাবিতে গণসংযোগ ও প্রচার প্রচারণায় নেমে যান। তাদের সঙ্গে কাজ করেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিন আহমেদ, আক্তার হোসেন, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ কবির, নুরুল ইসলাম, কর্নেল, সুহিন সহ উল্লেখযোগ্য আরো বেশকজন নেতা। পর্যায়ক্রমে মহানগর কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দীন মাহামুদ ফয়সালের নেতৃত্বে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কৃষকদলের আহ্বায়ক জসিম উদ্দীন, যুগ্ম আহ্বায়ক সবুজ খান নেতাকর্মীদের নিয়ে মান্নানের পক্ষে মাঠে নামেন। থানার ৯নং ওয়ার্ডে মান্নানের পক্ষে মাঠে নামেন থানা বিএনপির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, নূর প্রধান সহ আরো বেশকজন।
মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সাহেদ আহমেদের নির্দেশনায় মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ মোহাম্মদ অপু, মোফাজ্জল হোসেন আনোয়ার, সদস্য আরমান হোসেন, আশিকুর রহমান অনি, বাদশা খান, মাকসুদুর রহমান শাকিল সহ মহানগর যুবদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবদলের নেতাকর্মীদের মান্নানের পক্ষে কাজ করেন। সম্প্রতি বিপরীত বলয় থেকে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান মৃধা, সদস্য শহিদুল ইসলাম ও জুয়েল রানাকে মান্নানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করিয়ে দেন মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল ও সাহেদ আহমেদ। মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাখাওয়াত ইসলাম রানাও নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে। এ ছাড়াও মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলর আয়েশা আক্তার দিনা অগ্রনী ভুমিকা রেখে মহিলা দল নিয়ে মান্নানের পক্ষে নেমে যান।
মান্নানের পক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জে নেতাকর্মীদের নিয়ে শোডাউন ও নিজ ৭নং ওয়ার্ডে বিশাল সমাবেশ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রাকিবুর রহমান সাগর। বর্তমানে মান্নানের পক্ষে মাঠে আরো যারা কাজ করছেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল প্রধান, থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন বাদল, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি বেগম নুরুন্নাহার, মহানগর ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রাসেল, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সিফাতুর রহমান রাজু, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক নাদিম আহমেদ, হোসাইন মোহাম্মদ জুবায়ের, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব তন্ময়, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবির, মহানগর জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হাই সহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আরো বেশকজন নেতা।

